Categories
ক্যাম্পাস

Medical MBBS Admission Test Question Solution 2019-20

MBBS Admission Test Question Solution: Medical MBBS Admission Test Question Solution 2019-20.

Admission Exam Name: Medical MBBS Admission Test
Exam Year: 2019
The Session: 2019-2020
Exam Date: 11st October 2019
Exam Start Time: 10.00 AM to 11.00 AM

Duration: 1 Hour
Total Questions: 100 (Mcq)
Total Marks: 100

MBBS Admission Test Question Solution 2019-20

Medical MBBS Admission Test Question Solution 2019-20 has been published on Bangla Desk today. Directorate General of Health Services Authority is finalizing the Medical MBBS Admission Test for 2019-20. This year’s Medical MBBS Admission Test, held on October 11th, 2019, starts at 10 am, and continues till 11 am for a total of 1 hour.

At the end of the exam, all the candidates are looking for the correct solution to the answers to their questions. So, we have solved all the questions in this year’s Medical MBBS Admission Test with question papers below.. You can find the full details about Medical MBBS Admission Test Question Solution 2019-20 here.

Also, read: Dhaka University A Unit Question Solution 2019-20

MBBS Admission Test Question

Question Solution 2019-20

1. বাংলাদেশ কতসালে ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে?
১৯৯৭ সালে
2. চাপের SI একক কী?
প্যাসকেল ( Pascale)
3. The past participle of the swim is?
Swum
4. ইলেক্ট্রোন আয়নে কয়টি ইলেকট্রন আছে?

5. কোনটা অম্লধর্মী অক্সাইড?
B(OH)3
6. কোনটি সিলোম্বিহীন পর্ব?
Fasciola Hepatica
7. কবুতর কোন শ্রেণীর?
এভিস (Avis)
8. গব্লেট কোশ বেশি থাকে কোথায়?
বৃহদান্ত্রে
9. Eerythromycin সৃষ্টি হয় কোঠা থেকে?
বৃক্কে (Kidney)
10. ফরমালডিহাইড ও পটাশিয়ামকে উত্তপ্ত করলে কি তৈরি হয়?
মিথানল
11. পদ্মা সেতু নির্মাণের অর্থনৈতিক দায়িত্ব কে নেয়?
বাংলদেশ সরকর
12. রংধনুতে কী হয় না?
বিরলিকরন
13. নিচের কোনটি যৌগিক পাতা নয়?
জবা

14. He has lost her x again, This is the second time this __.
happened
15. ছত্রাকের কোষপ্রাচীর কি দিয়ে গঠিত?
কাইটিন
16. I am accustomed ___ such a life.
to
17. ‘চাকা ‘ কার সাথে সম্পর্কিত নয়?
তাম্র যুগ
18. মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদশ কয়টি সেক্টরে বিভক্ত ছিলো ?
১১ টি
19. Which is not synonym of Ability?
Avail
20. বাংলা একাডেমির পূর্বনাাম কি ছিল?
বর্ধমান হাউস
21. মাইটোটিক কোষ বিভাজনে নিওক্লিয়াসের বিভাজনকে কি বলে?
ক্যারিওকাইনোসিস
22. পরমশূন্য তাপমাত্রা কোনটি?
শূন্য কেলভিন, -২৭৩.১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস অথবা -৪৫৯.৬৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট
23. আন্তঃকশেরুকায় কোন ধরনের তরুনস্থী থাকে?
স্বেত তন্তু

Medical Question Solution 2019-20

24. কোনটিতে ঐচ্ছিক পেশি থাকে?
25. HCL ক্ষরণ করে কোন কোষ?
প্যারাইটাল কোষ বা অক্সিনটিক সেল
26. বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান থেকে মুক্ত হয়ে কত তারিখে দেশে আসেন?
১০ জানুয়ারি ১৯৭২
27. জাতীয় সংসদের স্থপতি কে?
লুই আইকান
28. স্বাধীনতার স্তম্ভ কোথায় অবস্থিত?
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে
29. গ্রহগুলো উপবৃত্তাকার পথে আববর্তিত হয় এটা কার সূত্র?
কেপলারের
30. Cycas এর সস্য?
Haploid
31. নিচের কোনটি সিলোমবিহীন?
Fasciola
32. পানি থেকে বরফ হলে কি ধরণের পরিবর্তন হয়?
 আয়তন বাড়ে, ঘনত্ব কমে

33. স্টেইললেস ষ্টীলে ষ্টীল এর সাথে কি থাকে?
Ni
34. নিচের কোনটি জারক ও বিজারক উভয়ই?
NO
35. নিচের কোনটি আলাদা?
এড্রোনালিন
36. প্যারাসিমপ্যাথেটিক Nerve কোনটি?
অকুলোমোটর
37. Antonym of Refractory is?
Obedient
38. নিচের কোনটি পানিতে দ্রবণীয়?
NH3
39. অক্সিজেনের আইসোটোপ কয়টি?
৩ টি
40. নিচের কোনটির আদি কোষ নেই?
ব্রায়োফাইডা

41. এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। এটি কত তারিখের ভাষণ?
৭ ই মার্চ
42. নিচের কোনটি অপ্রকৃত ফল?
আনারস
43. 1 HP বা এক হর্স পাওয়ার সমান কত?
746 W
44. নিচের কোনটি আদিকোষ?
ব্যাকটেরিয়া
45. ২ টা H2 কি বন্ধন দ্বারা যুক্ত?
46. ঘাসফড়িং এর হেপাটিক সিকা কয়টি?
৬ জোড়া
47. নিচের কোন গ্যাসটি বায়ুতে বেশী পাওয়া যায়?
নাইট্রোজেন (N2)
48. বিশুদ্ধ পানির PH কত?

49. নিচের কোনটি Acid Rain এর জন্য দায়ী?
SO2
50. 98.5 F সেন্টিগ্রেডে কত?
36.94 C
51. ৪৮ মি/সেকেন্ড বেগে কোন বস্তুকে উপরে ছুঁড়লে কতক্ষণ শূন্যে থাকবে?
৯.৮ সেকেন্ড
52. একজন লোকের ভর ২০ কেজি। ২৫ সেমি ২০ টি সিঁড়ি বেয়ে উঠলে কাজ কত?
৯৮০ জুল
53. শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ কত?
৩ x ১০৮ মিটার/সেকেণ্ড
54.প্যরাসিম্পেথেটিক কোনটি?
অকলোমোটর

Admission Test Question

71. নীল লিটমাস লাল হয় কার উপস্থিতিতে?
Acid
72. কোন Acid টি শক্তিশালি?
জারণ সংখ্যা যার বেশি
72. স্থায়ী ক্ষরতা দূর করা যায়না কিসের মাধ্যমে?
ফুটন্তকরণ
73. Capability er synonym নয়?
Avail
74. Accoumted এর পর বসবে?
to
75.`Right’ verb হিসেবে এর ব্যবহার এর উদহারন কোনটি?
He is the right man for the job.
76. সোনালি হলুদ
Nat
77. Safia has lost her handbag this is the second time __________.

Also, read:Junior school certificate (JSC) result 

Categories
ক্যাম্পাস স্বাস্থ্য

মেডিকেল ভর্তি প্রশ্ন সমাধান: এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান ২০১৯-২০

মেডিকেল ভর্তি প্রশ্ন সমাধান: মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস প্রথম বর্ষ (২০১৯-২০) ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। ১০০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নপত্রে ন্যূনতম ৪০ নম্বর পেয়ে পাস করেছে ৪৯ হাজার ৪১৩ পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে ছেলে পরীক্ষার্থী ২২ হাজার ৮৮২ ও মেয়ে পরীক্ষার্থী ২৬ হাজার ৫৩১। জাতীয় মেধাতালিকার ভিত্তিতে সর্বোচ্চ নম্বরধারীরা সরকারি ৩৬ মেডিকেল কলেজে ও পরবর্তীতে বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পাবেন। আজ (মঙ্গলবার) বিকেলে রাজধানীর মহাখালীর স্বাস্থ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. আবুল কালাম আজাদ।

১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছেন একজন ছেলে শিক্ষার্থী, তার প্রাপ্ত নম্বর ৯০ দশমিক ৫। মেয়েদের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছেন ৮৯। নতুন পদ্ধতিতে গত ১১ অক্টোবর ২০১৯ দেশব্যাপী একযোগে ১৯টি কেন্দ্রের ৩২টি ভেন্যুতে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

এ বছর ৩৬টি সরকারি মেডিকেল কলেজে চার হাজার ৬৮ আসন ও ৭০টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ছয় হাজার ৩৩৬ আসনসহ ১০ হাজার ৪০৪টি আসনের বিপরীতে ৬৯ হাজার ৪১০ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

মেডিকেল ভর্তি প্রশ্ন সমাধান

ভর্তি পরীক্ষার নাম: মেডিকেল এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা
পরীক্ষার বছর: ২০১৯
শিক্ষাবর্ষ: ২০১৯-২০
পরীক্ষার তারিখ: ১১ অক্টোবর, ২০১৯
পরীক্ষার শুরুর সময়: সকাল ১০.০০ টা থেকে ১১.০০ পযর্ন্ত
সময়কাল: ১ ঘন্টা
মোট প্রশ্ন: ১০০ (মার্ক)

1. বাংলাদেশ কতসালে ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে?
১৯৯৭ সালে
2. চাপের SI একক কী?
প্যাসকেল ( Pascale)
3. Past participle of swim is?
Swum
4. ইলেক্ট্রোন আয়নে কয়টি ইলেকট্রন আছে?

5. কোনটা অম্লধর্মী অক্সাইড?
B(OH)3
6. কোনটি সিলোম্বিহীন পর্ব?
Fasciola Hepatica
7. কবুতর কোন শ্রেণীর?
এভিস (Avis)
8. গব্লেট কোশ বেশি থাকে কোথায়?
বৃহদান্ত্রে
9. Eerythromycin সৃষ্টি হয় কোঠা থেকে?
বৃক্কে (Kidney)
10. ফরমালডিহাইড ও পটাশিয়ামকে উত্তপ্ত করলে কি তৈরি হয়?
মিথানল

মেডিকেল ভর্তি প্রশ্ন সমাধান

11. পদ্মা সেতু নির্মাণের অর্থনৈতিক দায়িত্ব কে নেয়?
বাংলদেশ সরকর
12. রংধনুতে কী হয় না?
বিরলিকরন
13. নিচের কোনটি যৌগিক পাতা নয়?
জবা
14. He has lost her x again, This is the second time this __.
happened
15. ছত্রাকের কোষপ্রাচীর কি দিয়ে গঠিত?
কাইটিন
16. I am accustomed ___ such a life.
to
17. ‘চাকা ‘ কার সাথে সম্পর্কিত নয়?
তাম্র যুগ
18. মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদশ কয়টি সেক্টরে বিভক্ত ছিলো ?
১১ টি
19. Which is not synonym of Ability?
Avail
20. বাংলা একাডেমির পূর্বনাাম কি ছিল?
বর্ধমান হাউস

মেডিকেল ভর্তি প্রশ্ন সমাধান: এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান ২০১৯-২০

21. মাইটোটিক কোষ বিভাজনে নিওক্লিয়াসের বিভাজনকে কি বলে?
ক্যারিওকাইনোসিস
22. পরমশূন্য তাপমাত্রা কোনটি?
শূন্য কেলভিন, -২৭৩.১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস অথবা -৪৫৯.৬৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট
23. আন্তঃকশেরুকায় কোন ধরনের তরুনস্থী থাকে?
স্বেত তন্তু
24. কোনটিতে ঐচ্ছিক পেশি থাকে?
25. HCL ক্ষরণ করে কোন কোষ?
প্যারাইটাল কোষ বা অক্সিনটিক সেল
26. বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান থেকে মুক্ত হয়ে কত তারিখে দেশে আসেন?
১০ জানুয়ারি ১৯৭২
27. জাতীয় সংসদের স্থপতি কে?
লুই আইকান
28. স্বাধীনতার স্তম্ভ কোথায় অবস্থিত?
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে
29. গ্রহগুলো উপবৃত্তাকার পথে আববর্তিত হয় এটা কার সূত্র?
কেপলারের
30. Cycas এর সস্য?
Haploid
31. নিচের কোনটি সিলোমবিহীন?
Fasciola
32. পানি থেকে বরফ হলে কি ধরণের পরিবর্তন হয়?
আয়তন বাড়ে, ঘনত্ব কমে

33. স্টেইললেস ষ্টীলে ষ্টীল এর সাথে কি থাকে?
Ni
34. নিচের কোনটি জারক ও বিজারক উভয়ই?
NO
35. নিচের কোনটি আলাদা?
এড্রোনালিন
36. প্যারাসিমপ্যাথেটিক Nerve কোনটি?
অকুলোমোটর
37. Antonym of Refractory is?
Obedient
38. নিচের কোনটি পানিতে দ্রবণীয়?
NH3
39. অক্সিজেনের আইসোটোপ কয়টি?
৩ টি
40. নিচের কোনটির আদি কোষ নেই?
ব্রায়োফাইডা

এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান ২০১৯-২০

41. এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। এটি কত তারিখের ভাষণ?
৭ ই মার্চ
42. নিচের কোনটি অপ্রকৃত ফল?
আনারস
43. 1 HP বা এক হর্স পাওয়ার সমান কত?
746 W
44. নিচের কোনটি আদিকোষ?
ব্যাকটেরিয়া
45. ২ টা H2 কি বন্ধন দ্বারা যুক্ত?
46. ঘাসফড়িং এর হেপাটিক সিকা কয়টি?
৬ জোড়া
47. নিচের কোন গ্যাসটি বায়ুতে বেশী পাওয়া যায়?
নাইট্রোজেন (N2)
48. বিশুদ্ধ পানির PH কত?

49. নিচের কোনটি Acid Rain এর জন্য দায়ী?
SO2
50. 98.5 F সেন্টিগ্রেডে কত?
36.94 C
51. ৪৮ মি/সেকেন্ড বেগে কোন বস্তুকে উপরে ছুঁড়লে কতক্ষণ শূন্যে থাকবে?
৯.৮ সেকেন্ড
52. একজন লোকের ভর ২০ কেজি। ২৫ সেমি ২০ টি সিঁড়ি বেয়ে উঠলে কাজ কত?
৯৮০ জুল
53. শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ কত?
৩ x ১০৮ মিটার/সেকেণ্ড
54.প্যরাসিম্পেথেটিক কোনটি?
অকলোমোটর

মেডিকেল ভর্তি প্রশ্ন সমাধান: এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান ২০১৯-২০

71. নীল লিটমাস লাল হয় কার উপস্থিতিতে?
Acid
72. কোন Acid টি শক্তিশালি?
জারণ সংখ্যা যার বেশি
72. স্থায়ী ক্ষরতা দূর করা যায়না কিসের মাধ্যমে?
ফুটন্তকরণ
73. Capability er synonym নয়?
Avail
74. Accoumted এর পর বসবে?
to
75.`Right’ verb হিসেবে এর ব্যবহার এর উদহারন কোনটি?
He is the right man for the job.
76. সোনালি হলুদ
Nat
77. Safia has lost her handbag this is the second time __________.

আরো পড়ুন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক ইউনিট প্রশ্ন সমাধান ২০১৯-২০

Categories
ভাষা

বাংলা ভাষার ব্যবহার কি ক্রমশ কোণঠাসা হয়ে পড়ছে?

বাংলা ভাষার ব্যবহার:
‘মোদের গরব, মোদের আশা আ মরি বাংলা ভাষা’।

বাঙালি জাতি ভাষার জন্য রক্ত দিয়ে মাতৃভাষার পবিত্রতা বৃদ্ধি করেছে। মর্যাদা দিয়েছে বিশ্বের প্রতিটি মাতৃভাষাকে। ভাষার জন্য প্রাণ, সে তো বাঙালিরাই দিতে পারে। বিশ্বের প্রতিটি দেশেই আজ মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়। ভাষার জন্য বাঙালির অবদান বিশ্বজুড়েই স্বীকৃত।

ভাষা নিয়ে আমাদের গর্ব থাকলেও কেউ কেউ প্রশ্ন করেন, সারা বছর বাংলা ভাষাকে আমরা ঠিকঠাক গুরুত্ব
দিই তো?
কেউ অনুযোগ করেন, ভিনদেশী ভাষাগুলো শেখার তাড়নায় নিজের ভাষাকে আজ অবহেলা করছি আমরা।
অনেকেই সদর্পে বলি, বাঙালি নিজের ভাষার জন্য গর্ববোধ করতে জানে।

যা কিছু বললাম-করলাম-দেখলাম-শুনলাম, পুরোটাই আসলে আমাদের উপলব্ধি, পুরোটাই বাস্তব।
অর্থাৎ নিজের ভাষাকে নিয়ে বাঙালির গর্ব অশেষ। কিন্তু, পরিস্থিতির চাপে নিজের ভাষার সর্বাত্মক চর্চায় আজ কিছুটা অপারগ। তার জন্য ভিতরে ভিতরে হা-হুতাশ রয়েছে।

আরো পড়ুন: বাংলা ভাষার জন্মকথা -হুমায়ুন আজাদ

প্রতিযোগিতা আর রুটি-রুজির তাড়নায় নিজের ভাষার প্রতি কিছুটা অবহেলা আমাদের রয়েছে। এ কথা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। যেখানে সুযোগ রয়েছে, সেখানেই নিজের সন্তানকে বাংলা মাধ্যমের বদলে ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনা করানোর প্রবণতা রয়েছে। কিন্তু মাতৃভাষা নিয়ে অতটা মাথাব্যাথা নেই। এর উল্টো চিত্রও আছে। বাঙালির জনসংখ্যার একটা তাৎপর্যপূর্ণ অংশের মধ্যেই যেমন স্কুলে-কলেজে বাংলাকে এড়িয়ে যাওয়ার বা অবহেলা করার প্রবণতা, তেমনই জনসংখ্যার একটা অত্যন্ত প্রভাবশালী অংশ কিন্তু বছর জুড়ে বাংলা নিয়েই ব্যস্ত। বাংলা ভাষায় আজও বিস্তর লেখালিখি হচ্ছে, অশেষ কথকতা চলছে, আজও এমন বাংলা বইয়ের নাম শোনা যাচ্ছে, যা বইমেলা থেকেই নিঃশেষে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে।

বাংলা ভাষা ক্রমশ কোণঠাসা হয়ে পড়ছে?

তা হলে বাংলা ভাষার অবস্থাটা ঠিক কী রকম দাঁড়াল? বাংলা ভাষা ক্রমশ কোণঠাসা হয়ে পড়ছে, এমন কথা তো বলা যাবে না। শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বজুড়েই বাঙালিদের মধ্যে বাংলার চর্চা উল্লেখযোগ্য। তা হলে আমাদের ভাষার সঙ্কটটা ঠিক কোনখানে? সঙ্কটটা নিহিত রয়েছে পুরোদস্তুর ‘কাজের ভাষা’ হয়ে উঠতে না পারার মধ্যে।
সাহিত্য, শিল্প, সংস্কৃতির চর্চায় বাঙালির কাছে আজও বাংলাই মূল ভাষা। সাহিত্য চর্চার বাংলা আজও প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্তে সমৃদ্ধ হচ্ছে, শব্দকোষ রোজ পরিমার্জিত হচ্ছে আপন ছন্দে। সাহিত্য-সংস্কৃতি বা শিল্প চর্চার বাইরে যে বৃহত্তর পেশার জগত, সেখানে বাংলা ভাষাকে খুব বেশি কাজে লাগাতে পারছি না আমরা। কারণ বাংলাকে আমরা তার উপযুক্ত করে তুলতেই পারিনি এখনও পর্যন্ত।

বিদ্যাসাগর, বঙ্কিমচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথের হাত ধরে বাংলা ভাষা তথা শব্দকোষ তার মূল অবয়ব পেয়েছিল। জগদীশচন্দ্র বসু, রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদীদের লেখনি বাংলা ভাষাকে সেই সব সরণিতে হাঁটতে শিখিয়েছিল, যেখানে নিয়মিত হাঁটাচলার অভ্যাস থাকলে একটা ভাষা পুরোদস্তুর ‘কাজের ভাষা’ হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু সেই প্রচেষ্টা বহাল থাকেনি। বাংলাকে শিক্ষা ও পেশার প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যবহার্য করে তোলার প্রয়াসকে আমরা আর এগিয়ে নিয়ে যেতে পারিনি। ফলে সাহিত্য, সংস্কৃতি, শিল্প, দর্শন বা ইতিহাসের চর্চার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকে গেছে বাংলার কার্যকারীতা। কেউ বিজ্ঞান নিয়ে পড়তে চান, কেউ চিকিৎসা বিজ্ঞানে গবেষণা করতে চান, কেউ কারিগরী বা প্রযুক্তির দিকে যেতে চান, কেউ আইনজ্ঞ হতে চান। এঁদের কারও পক্ষেই কি বাংলায় পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব? বাংলা ভাষায় সব ধরনের উচ্চ শিক্ষার সুযোগ কি আমরা এখনও তৈরি করতে পেরেছি? পারিনি।

অন্য অনেক ভাষাতেই কিন্তু সে সুযোগ তৈরি হয়েছে। চিনে, জাপানে, রাশিয়ায়, ফ্রান্সে, জার্মানিতে মাতৃভাষার এই সঙ্কট কিন্তু নেই। কারণ নিজেদের মাতৃভাষাকে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ভাষা করে তুলতে পেরেছে তাঁরা। চিনা বা জাপানি ভাষায় বিজ্ঞানের গবেষণাপত্র প্রকাশিত হচ্ছে। রাশিয়ায় বা ফ্রান্সে কোনও পড়ুয়া নিজের মাতৃভাষায় স্বচ্ছন্দে ম্যানেজমেন্ট বা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে পারছেন। কারণ ভাষাগুলো সে সবের উপযুক্ত হয়ে উঠেছে দিনে দিনে। আমরা নিজেদের মাতৃভাষাকে নিয়ে ওই পথে অগ্রসর হতে পারেনি।

অতএব, হা-হুতাশে লাভ নেই। আমাদের ছেলেমেয়ে কেন বাংলা মাধ্যম স্কুলে পড়ছে না, বাঙালি কেন বাংলা শেখার চেয়ে ইংরেজি শেখায় বেশি জোর দিচ্ছে এ সব প্রশ্ন তুলেও লাভ নেই। বাস্তবটাকে উপলব্ধি করতে হবে সময়ের প্রয়োজনে। বাঙালি যে ভাষাতেই পড়াশোনা করুক, যে ভাষাতেই পেশাদারিত্বের মাপকাঠিতে এগিয়ে যাক, বাংলাই বাঙালির হৃদয়ের ভাষা আজও। কিন্তু বাঙালির জীবনে যদি বাংলাকে আরও বেশি করে চাই আমরা, তা হলে বাংলাকে ‘স্বয়ংসম্পূর্ণতার’ পথে নিয়ে যেতে হবে। আজকের পরিস্থিতিতে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে বা পেশার ক্ষেত্রে বাংলা ভাষা ব্যবহার করতে চাইলেও তা সম্ভব নয়। কারণ উপযুক্ত পরিভাষা কাঠামোই গড়ে তোলা হয়ে ওঠেনি। সেই ঘাটতি পূরণ করার দিকে পা ফেলবে বাঙালি সেটাই প্রত্যাশা করি।

Categories
ক্যাম্পাস

Dhaka University A Unit Question Solution 2019-20

DU A Unit Question Solution: first of all, Dhaka University A Unit Question answer 2019 is here. Finally, thus DU a unit communication candidates have to be compelled to the total solutions. DU A unit question Solution 2019. So, trying to find A or KA unit solutions? Hopefully, you’ll be able to get your necessary info and question solve concerning DU A Unit Question Solution 2019-20.

DU A Unit Question Solution 2019-20

Dhaka University A Unit Admission test Question: Also, Dhaka University Admission test is being. Furthermore, nowadays the A /KA unit communication has occurred. thus we tend to ar talking concerning DU A unit admission communication and question solutions of Bangla, English, Physic, Chemistry, Maths, Biology half queries.
Furthermore, the communication being below several centers. Most noteworthy, during this year the whole seat  1795 for A unit and also the total candidates are around 88 thousand. Also, thus it’s terribly high competition for a seat for A (Science) unit at Dhaka University.

DU A Unit Question Solution
Exam: DU Admission
Unit: A unit / Ka unit
Date: 20 September 2019
Time: 10 AM to 11.30 AM
Question Type: MCQ and SAQ/Written
Marks: MCQ 75 Marks and Written Marks 45.

Question Topics:  Bangla, English, Physic, Chemistry, Maths, Biology.

Total Marks: The total marks for this exam is 120. For each correct answer, you will get 1.25 mark. On the other hand, a 0.25 mark will cut off for every wrong answer out of your total marks.

DU A Unit Question Solution: Bangla

  1. ‘আজব’ শব্দটি কোন বিদেশি শব্দ? – আরবি
  2. কারমাইকেলের অনুসন্ধানে রেশমি রুমাল তৈরীর ক্ষেত্র হিসেবে কোন এলাকা আবিষ্কৃত হয়েছে? – মুর্শিদাবাদ
  3. কোনটি ধ্বন্যাত্মক শব্দের উদাহরণ? – টুপটাপ
  4. ণ-ত্ব বিধান অনুযায়ী কোনটি অশুদ্ধ? – দুর্ণীতি (সঠিক হবে দুর্নীতি)
  5. ‘মাসি-পিসি’ গল্প আলহাদীর মুখে কে দেখতে পায় নিজের মুখের ছাপ? – রহমান
  6. ‘বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ’ কবিতায় কাকে বাসবত্রাস বলা হয়েছে? – মেঘনাদকে
  7. ‘সমুদ্র’ শব্দের প্রতিশব্দ- – রত্নাকর
  8. ‘নৈয়ায়িক’ কাকে বলা হয়? – যিনি ন্যায়শাস্ত্র জানেন
  9. কোন শব্দগুচ্ছ শুদ্ধ? – সহযোগী, শিরশ্ছেদ, গুঞ্জরন
  10. ‘বৈশিষ্ট্য’ শব্দটি গঠিত হয়েছে- প্রত্যয়যোগে
  11. ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার মূলসুর? – অদম্য তারুণ্যশক্তি
  12. কোন উপসর্গটি ভিন্নার্থে প্রযুক্ত? – প্রতিবিম্ব
  13. ‘তোমার কথাগুলি ভারি সোশিয়ালিস্টিক’। এই উক্তি কার উদ্দেশ্যে উচ্চারিত হয়েছে? – মার্জার
  14. কোনটি অপপ্রয়োগের দৃষ্টান্ত? – ভৌগলিক ( সঠিক হবে ভৌগোলিক)
  15. ‘আমার পথ’ প্রবন্ধে পথপ্রদর্শক কে? – সত্য

Also, read: এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান ২০১৯-২০

DU A Unit Question Solution: English

  1. What is the topic of this passage? – The major types of Bacteria.
  2. Why are bacteria used in the research study? – Bacteria are similar to other life forms.
  3. According to the passage, bacilli are responsible for ___. – Spoiling food
  4. According to the text, which characteristic is common in bacteria? – They have one Cell
  5. A similar word for ‘tumble’ is ___. – Spill

Fill in each blank with the most appropriate word/words (Question 6-15)

  1. Which one is the incorrect spelling? – depreciation
  2. Nutritionists still do not understand the nutritional ___ of jackfruits. – benefits
  3. Kamal found it hard to get up from bed after the alarm clock ___ at six a.m. – went off
  4. A synonym for ‘compassion’ is- yearning
  5. Sleeplessness causes problems with our ___ clock. – biological
  6. As for ___, I prefer to let people make up ___ minds. – me, their own
  7. The noun of ‘excite’ is- excitement
  8. What is the antonym of ‘latent’? – obvious
  9. Monir is sitting ___ the desk ___ front of the door. – at, in
  10. The person who has committed such an ___ crime must be severely punished. – abominable

Physic Question Solutions

  1. a (60°)
  2. c (m2/m1)
  3. d (graph x,t)
  4. c (MeV)
  5. c ( π/2)
  6. b (asinθ=nΨ)
  7. b (0.4 A)
  8. c (506 cal)
  9. c (qE)
  10. c (9 cm)
  11. b (π ^2/2s)
  12. c (10 √ 190/9.8)
  13. d (1:2)
  14. d (200cm)
  15. d (a proton)

Chemistry Question Solutions

  1. Ethync
  2. Peptide Bond
  3. 32
  4. কলাম ক্রোমোটোগ্রাফি
  5. Fe+Br2 -> Fe2+2Br
  6. CH3CH=CHCH3
  7. 3-ব্রোমো-2-ক্লোরো-5-মিথাইলহেপটম
  8. +2,+2
  9. p orbital
  10. উভয়ের দহন তাপ একই
  11. Hydrogen
  12. বেরিয়াম নাইট্রেট যোগে
  13. ম্যাপন সিলিন্ডার
  14. 0.01 M
  15. CO2

Maths Question Solutions

  1. b(-4)
  2. d [-2,2]
  3. b (-1)
  4. b [int2/0(x-1)dx
  5. b (-a b vec/123)
  6. c (720)
  7. c (55/118)
  8. d (3/5)
  9. d (x^2+y^2-8x-6y-24=0)
  10. c (√3)
  11. d (0,1/3) u (1/3,2/3)
  12. b (1)
  13. b (-2+c/some thing)
  14. b (1)
  15. d (30)

Biology Question Solutions

  1. পনির তৈরিতে ব্যবহৃত এনজাইমের নাম- রেনিন
  2. ‍এড্রেনাল গ্রন্থি থেকে কোন হরমোন নিঃসৃত হয়? – গ্লুকোকর্টিকয়েড
  3. মানবদেহে মোট ইম্যুনোগ্লোবিউুলনের কতো ভাগ IgG? – ৭৫%
  4. Poaccae গোত্রের উদ্ভিদের ফল কে বলা হয়? – করিওপসিস
  5. কোন হরমোনের উৎস পিটুইটারি গ্রন্থি নয়? – প্রজেস্টেরন
  6. শিখাকোষ যে পর্বের বৈশিষ্ট্য- প্লাটিহেলমিনথিস
  7. মানব জিনোমে ক্ষারক-যুগলের সংখ্যা- ৩ বিলিয়ন
  8. কোন উদ্ভিদটি বাংলাদেশে বিলুপ্তপ্রায়? – Podocarpus nerifolius
  9. কোন অ্যামাইনো এসিডের জন্য ৪টি কোড রয়েছে? – Velin
  10. কোনটি পত্রঝরা উদ্ভিদ? – Shorea robusta
  11. কোন অঙ্গাণুতে অক্সিসোম দেখা যায়? – মাইটোকন্ড্রিয়া
  12. মানুষের মস্তিষ্ক ও সুষুম্নাকান্ডের আবরণ কোনটি? – মেনেনজিস
  13. কোন প্রাণীতে প্লাকয়েড আঁশ রয়েছে? – হাঙ্গর
  14. কোনটির পরিবহনতন্ত্র আছে কিন্তু ফুল হয় না? – টেরিডোফাইট
  15. পলিজিন এর প্রভাব- Cumulative (পুঞ্জিভূত)
Categories
ক্যাম্পাস

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের প্রশ্ন সমাধান

খ ইউনিট প্রশ্ন সমাধান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিটের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান।

পরীক্ষা: ঢাবির ভর্তি ২০১৯-২০
ইউনিট: B unit / খ ইউনিট
প্রশ্নের ধরণ: এমসিকিউ এবং লিখিত
চিহ্নগুলি: এমসিকিউ ৭৫ মার্কস এবং লিখিত মার্কস ৪৫
প্রশ্নের বিষয়: বাংলা, ইংরেজি এবং সাধারণ জ্ঞান
মোট নম্বর: এই পরীক্ষার মোট নম্বর ১২০।
* প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য আপনি পাবেন ১.২৫ নম্বর।
অন্যদিকে, ০.২৫ নম্বর/মার্কস প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য কাটা যাবে।
খ ইউনিট প্রশ্ন সমাধান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিটের অধীন স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান নিম্নে দেওয়া হল।

বাংলা অংশের প্রশ্ন উত্তর

  1. ‘আত্মাকে চিনিলেই আত্মনির্ভরতা আসে’ – উদ্ধৃতিটি যে রচনার- আমার পথ
  2. ক্রন্দসী’ শব্দের আভিধানিক অর্থ – আকাশ ও পৃথিবী
  3. নিচের যেটি শুদ্ধ বানান – উচ্ছল ও বৈপরীত্য
  4. “নেকলেস” গল্পে শিশু নিয়ে চামপস্-এলিসিস-এ ঘুরে বেড়াচ্ছিল – মাদাম ফোরসটিয়ার
  5. A bolt from the blue -এর সমার্থক বাংলা প্রবাদ হল – বিনা মেঘে বজ্রপাত
  6. “জীবন ও বৃক্ষ” প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মনুষ্যত্বের সঙ্গে সাদৃশ্য খুঁজে পেয়েছেন – নদীর গতির
  7. ‘উত্তম’ শব্দের সমার্থক নয় – অভিরুচি
  8. “লোক-লোকান্তর” কবিতায় চেতনার তুল্যরূপ হল – পাখি
  9. সভ্যতার বিস্তারের সাথে সাথে যা বিলুপ্ত হয়েছে – দেশিশিল্প
  10. “ও কি ঘরে বালা আনবার চায় নাকি? চায় নাকি আমার সংসার উচ্ছন্নে যাক, মড়ক লাগুক ঘরে’ উক্তিটি করেছিল – মজিদ
  11. ‘নিজ কর্মদোষে, হায়, মজাইল এ কনক-লঙ্কা . কর্ম-দোষ হল – রাবণের কর্ম দোষ
  12. ইতিহাসের একজন সামন্ত নবাব হয়েও সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজ চরিত্রটি হয়ে উঠেছে – দেশপ্রেমিক নেতা
  13. ‘নয়নকমল’-এর যথার্থ ব্যাসবাক্য হল – নয়ন কমলের ন্যায়
  14. ‘কুহেলী উত্তরী তলে — সন্ন্যাসী’ উদ্ধৃতির শূন্যস্থানে বসবে – মাঘের
  15. ‘যিনি ন্যায়শাস্ত্র জানেন” এর এক-কথায় প্রকাশিত রূপ – নৈয়ায়িক
  16. প্রৌঢ়’ শব্দটির যথাযথ সন্ধি-বিচ্ছেদ হল – প্রৌঢ়- প্র+ঊঢ়

আরো পড়ুন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘ ইউনিট ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের প্রশ্ন সমাধান

খ ইউনিট প্রশ্ন সমাধান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিটের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান।

খ ইউনিট প্রশ্ন সমাধান: ইংরেজী অংশের প্রশ্ন উত্তর
DU B / KHA Unit English Question Solution

  1. We have not been given _____ update on the patient’s condition. – any
  2. There’s a liberation sculpture —– Arts building of university of Dhaka. – in front of
  3. Coleridge’s poem “The Rime of the Ancient Mariner” is a – ballad
  4. Change into reported form: She said to me, Why don’t you come on Monday?’ – She asked me why I didn’t go on Monday.
  5. The word ‘Emancipation’ means – freedom
  6. Choose the sentence with the correct punctuation. – My aunt who lives in Sylhet is a doctor.
  7. In the sentence, ‘The rescuers snatched the children from a perfect storm‘; the bold-faced phrase means – the worst situation
  8. The poet William Blake has compared the schoolboy to – a caged bird
  9. Orpheus’ parents were – Apollo and Muse Calliope.
  10. An elected member can take the decision. The bold-faced word is used as a/an – adjective
  11. ‘Shubho ate four pieces of Hilsha fish at dinner.’ The passive form of the sentence is – At dinner four pieces of Hilsha fish were eaten by Shubho.
  12. Choose the best interrogative form of: ‘Everyone hates acid-throwing.’ – does anyone like acid throwing?
  13. The synonym of the word ‘Original is – true
  14. The word ‘Diaspora’ is related to – migration
  15. Choose the correct spelling from the following:- Assurance
  16. ‘People lauded Mandela’s humanity, kindness and dignity’. In this sentence, the present from of the bold-faced word is- laud

আরো পড়ুন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক ইউনিট প্রশ্ন সমাধান ২০১৯-২০

ঢাবি ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের খ ইউনিট প্রশ্ন সমাধান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিটের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান।

খ ইউনিট প্রশ্ন সমাধান: সাধারণ জ্ঞান অংশের প্রশ্ন উত্তর
DU B / KHA Unit GK Question Solution

  1. বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূলভিত্তি হলাে – ভাষা ও সংস্কৃতি
  2. বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকে নিচের যেগুলাে রয়েছে – ধান, পাট, শাপলা
  3. বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র নারীসদস্য – ইউ.এ.বি. রাজিয়া আক্তার বানু
  4. গ্রিনল্যান্ড যে দেশের অংশ – ডেনমার্ক
  5. রিফিউজি’ সমস্যাটি যে সংস্থার সঙ্গে বেশি সম্পর্কিত – ইউএনএইচসিআর (UNHCR)
  6. জলবায়ুর উপাদান নয় – সমুদ্রস্রোত
  7. SDG-এর পূর্ণরূপ হলো – Sustainable Development Goals
  8. হটস্পট প্রযুক্তির অন্তর্ভুক্ত নয় –  সেলুলার ফোন
  9. মুদ্রাস্ফীতির একটি বড় কারণ হলাে – মুদ্রার যোগান বৃদ্ধি
  10. মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র চিত্রনদীর পারে পরিচালনা করেন – তানভীর মোকাম্মেল
  11. বাঙালি জাতির মুক্তি সনদ হলাে – ছয় দফা
  12. নীল অর্থনীতি মূলত যার সঙ্গে যুক্ত – সমুদ্র
  13. বাংলাদেশের সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ – ২০১৬-২০২০
  14. বাংলাদেশের যে ক্ষুদ্র জাতিসত্তা সিলেটে বাস করে না – তঞ্চঙ্গ্যা
  15. . কী-বাের্ড-এ ফাংশনাল কী-এর সংখ্যা হলাে – ১২টি
  16. ‘সুশাসন” ধারণাটি সর্বপ্রথম প্রবর্তন করে – বিশ্বব্যাংক
  17. ‘জেন্ডার’ বলতে বােঝায় নারী-পুরুষের পার্থক্য – সামাজিক
  18. ব্রিটেনের প্রথম পাবলিক মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠিত হয় যে বিশ্ববিদ্যালয়ে – অক্সফোর্ড
  19. ‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব’- যে আন্দোলনের স্লোগান – বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন
  20. ২০১৯ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেটে ‘প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট নির্বাচিত হন – কেন ইউলিয়ামসন
  21. রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন হলাে – সাংবিধানিক আইন
  22. ঐতিহাসিক স্থান ‘কারবালা অবস্থিত – ইরাক
  23. জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির মানব উন্নয়ন সূচকে বিশ্বে শীর্ষস্থান অধিকারী দেশ – নরওয়ে
  24. মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ‘শিখা চিরন্তন’ অবস্থিত – সােহরাওয়ার্দী উদ্যানে
  25. ই-৮ অন্তর্ভুক্ত আটটি দেশের একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য হলো এরা সবাই – পরিবেশ দূষণকারী দেশ
  26. বাংলায় ব্রিটিশ-বিরােধী প্রথম সশস্ত্র প্রতিরােধ আন্দোলন – সিপাহী বিদ্রোহ
  27. ২০১৮ সালে শান্তিতে নােবেল পুরস্কার পেয়েছেন নাদিয়া মুরাদ এবং – ডেনিস্ মূকওয়েগি
  28. বাল্যবিবাহ প্রতিরােধের হেল্পলাইন হলাে – 109

খ ইউনিট প্রশ্ন সমাধান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিটের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান।

Categories
ক্যাম্পাস

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘ ইউনিট ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের প্রশ্ন সমাধান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘ ইউনিট প্রশ্ন সমাধান:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ঘ ইউনিট ভর্তি পরিক্ষার ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের প্রশ্ন সমাধান।

পরীক্ষা: ঢাবির ভর্তি ২০১৯-২০
ইউনিট: ডি ইউনিট / ঘ ইউনিট
তারিখ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯
সময়: সকাল ১০ টা থেকে ১১.৩০
প্রশ্নের ধরণ: এমসিকিউ এবং লিখিত
চিহ্নগুলি: এমসিকিউ ৭৫ মার্কস এবং লিখিত মার্কস ৪৫
প্রশ্নের বিষয়: বাংলা, ইংরেজি এবং জি.কে.
মোট নম্বর: এই পরীক্ষার মোট নম্বর ১২০।
* প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য আপনি পাবেন ১.২৫ নম্বর।
অন্যদিকে, ০.২৫ নম্বর/মার্কস প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য কাটা যাবে।

আরো পড়ুন:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক ইউনিট প্রশ্ন সমাধান ২০১৯-২০
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের প্রশ্ন সমাধান

DU D / GHA Unit Bangla Question Solution

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘ ইউনিট প্রশ্ন সমাধান: বাংলা অংশ

কোন বানানটি শুদ্ধ? – দুরারোগ্য
‘আলাভোলা’ বাগধারাটির অর্থ- সাদাসিধে
বেগতিক শব্দে ব্যবহৃত ‘বে’ কোন ধরনের উপসর্গ? – ফারসি
কোন বিশেষ্য-বিশেষণ জোড় শুদ্ধ নয়? – সরলতা-সারল্য
‘ডেঙ্গু’ শব্দের উৎস ভাষা- স্প্যানিশ
‘কুল কাঠের আগুন’ এর অর্থ- তীব্র যন্ত্রনা
‘জল’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি? – উদক
‘হরিৎ’ শব্দের অর্থ কি? – সবুজ

‘মানানসই’ শব্দের ‘সই’ কোন ধরনের প্রত্যয়? – বিদেশি তদ্ধিত
‘প্রাণ ওষ্ঠাগত হবার মত অবস্থা।’ এক কথায় হবে- লবেজান
বয়স হলে এরা আর কিছু না হোক- শক্ত করে গিরেটা দিতে শেখে
ছেলেবেলায় অনুপমের চেহারা নিয়ে বিদ্রুপ করার সময় পন্ডিতমশাই কোন দুটি ফুল ও ফলের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন? – শিমুল ও মাকাল
One swallow does not make a summer – এর অর্থ কি? – এক মাঘে শীত যায় না
‘Dilemma’ শব্দের বাংলা পরিভাষা- উভয় সংকট
‘পাখাল’ শব্দের অর্থ- পান্তা
কোন শব্দে ‘এ’ ধ্বনির বিবৃত উচ্চারণ হয়েছে? – তেলাপোকা

DU D / GHA Unit English Question Solution

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘ ইউনিট প্রশ্ন সমাধান: ইংরেজি অংশ

English Part

Tina is renowned ___ her oratory. – for
He was not conversant ___ the plan. – with
Warning! No unauthorized personnel ___ this point. – Beyond
___ to Barishal by bus yesterday? – Did Jashim go
The dress was designed by ___ famous Italian artist. – a
It is the ___ city of the country. – most populous
Who says that you can go ___ the world in eighty days? – around
Choose the correct sentence. – The railway will compensate us for the loss.
The correct synonym of ‘mediocre’ is – average
The correct antonym of ‘spurious’ is – genuine
What is the meaning of the proverb ‘Do not put the cart before the horse’.? – Do things in proper order.

What was the most well-known form of money in the past? – coins
What is the passage about? – The history of money in human society.
The passage suggests that— coins followed the invention of money.
How does the passage define money? – Anything that is used to represent the value of something and used for the purpose of exchange of goods and services.
According to the passage— debit and cash cards are newer forms of money.

DU D / GHA Unit GK Question Solution

সাধারণ জ্ঞান অংশ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘ ইউনিট প্রশ্ন সমাধান

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ওপর নির্মিত চলচ্চিত্র ধীরে বহে মেঘনা -এর পরিচালক কে ছিলেন?
আলমগীর কবির
জাতিসংঘের কোন অঙ্গ সংস্থার কার্যক্রম অকার্যকর করা হয়েছে? – অছি পরিষদ
‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ কবে উৎক্ষেপণ করা হয়? – ১১ মে ২০১৮
সম্প্রতি সরকার কর্তৃক গৃহীত শুদ্ধ বানান কোনটি? – Chattogram
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ডি.লিট ডিগ্রি প্রদান করে- ১৯৭৪ সালে
২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় বাজেটের আকার হলো- ৫,২৩,১৯০ কোটি টাকা
কোনটি নারীর বিরুদ্ধে সকল প্রকার বৈষম্যের অবসান সম্পর্কিত? – সিডো {(CEDAW) The Convention on the Elimination of all Forms of Discrimination Against Women}.

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘ ইউনিট প্রশ্ন সমাধান

বাংলাদেশের একমাত্র ‘পাহাড়’- বিশিষ্ট দ্বীপ- মহেশখালী
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত কোন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের রোমান সানা স্বর্ণ পদক জিতেছেন? – এশিয়া কাপ আর্চারি
বাংলাদেশের প্রথম নারী মেয়র কে? – সেলিনা হায়াত আইভী
কোন ইস্যুতে হংকং-এ সম্প্রতিক গণবিক্ষোভের সূত্রপাত হয়? – প্রত্যর্পণ বিল
নিচের কোনটি বাংলাদেশের ‘জাতীয় জরুরি সেবা’ প্রদান করে থাকে? – ৯৯৯
মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পে নিম্নের কোন দেশটি সহায়তা করেছে? – জাপান
পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান এর নাম কি? – জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা
কোন বিষয়কে ঘিরে ‘#মি টু আন্দোলন’ -টি সূচিত হয়? – যৌন হয়রানি
১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের সময় ভাইসরয় কে ছিলেন? – লর্ড কার্জন
বাংলাদেশ সাবমেরিন ঘাঁটি কোথায় নির্মিত হতে যাচ্ছে? – কক্সবাজার
নিচের কোন দেশটি আমাজন বনাঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়? – আর্জেন্টিনা
হাইকমিশনার ও এম্বাসেডর এর মধ্যে পার্থক্য কি? – প্রথমজন কমনওয়েলথ ভুক্ত রাষ্ট্রের প্রতিনিধি ও অপরজন কমনওয়েলথ বহির্ভূত রাষ্ট্রের প্রতিনিধি

DU D / GHA Unit GK Question Solution

বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারের ফিরে যাবার ব্যাপারে রোহিঙ্গাদের প্রধান দাবি কোনটি? – নাগরিকত্ব
নিচের কোনটি spreadsheet -এর একটি ফাংশন? – আয় ও ব্যয় বিশ্লেষণ
কোন ছাত্রাবাসে ৬৫% ছাত্র মাছ পছন্দ করে, ৫৫% ছাত্র সবজি পছন্দ করে এবং ৪০% ছাত্র উপায়টি পছন্দ করে। কত শতাংশ ছাত্র কোনোটিই পছন্দ করেনা? – ২০%
‘ইস্তিফাদা’ কী? – ইসরায়েলী দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের গণজাগরণ
বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন কোন রাজনৈতিক দলের সদস্য? – কনজারভেটিভ পার্টি
আল্পস পর্বতমালা কোন মহাদেশে অবস্থিত? – ইউরোপ
নিচের ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে কোনটির বিরুদ্ধে কাজ করার জন্য ডেনিস মুকউইগি এবং নাদিয়া মুরাদকে ২০১৮ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার দেয়া হয়েছিল? – যুদ্ধাস্ত্র হিসেবে যৌন সহিংসতা
ঢাকা কেন মেগাসিটি? – অত্যাধিক জনসংখ্যার জন্য
ইউ.এন.সি.এইচ.ই. কি? – United Nations Conference on the Human Environment

Categories
বহুবর্ণ বাংলাদেশ

১২ আওলিয়ার বারবাজার

১২ আওলিয়ার বারবাজার
ঝিনাইদহ শহর থেকে ২৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ১২ আওলিয়ার বারবাজার।
প্রত্নতাত্ত্বিক নির্দশনসমৃদ্ধ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমন্ডিত ঐতিহাসিক স্থানটি জেলার কালীগঞ্জ উপজেলায়।
এ স্থানকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে রয়েছে নানা কৌতুহল।
লুপ্ত গৌরবের বারবাজার কারা প্রতিষ্ঠা করেছিল, তা সঠিক করে কেউ বলতে পারে না।
এর নামকরণ নিয়েও রয়েছে রহস্য। কারো মতে, সিলেট অঞ্চল থেকে ১২ আওলিয়া হযরত বড়খান গাজির সাথে এসে এখানে আস্তানা গাড়েন। সেই থেকে বারবাজার নামের উৎপত্তি।

আবার অনেকের মতে, খানজাহান আলী (রা.) এর সাথে ১১ জন দরবেশ বাগেরহাট পৌঁছানোর আগে
সুন্দরবন অঞ্চল ও আশেপাশে ইসলাম প্রচার করতেন।
তারাই এখানে অবস্থান করতেন বলে এই নামকরণ করা হয়।
কারো মতে, ১২টি বাজার নিয়ে গঠিত বলেই এলাকার নাম দেয়া হয়েছিল বারবাজার।
প্রাচীন এই জনপদের পরিধি ছিল ১০ বর্গ মাইল। এই ১০ বর্গমাইল এলাকার মধ্যে গড়ে ওঠে খোশালপুর, পিরোজপুর, বাদুরগাছা, সাদেকপুর, এনায়েতপুর, মুরাদগড়, রহমতপুর, মোল্লাডাঙ্গা,
বাদোদিহি, দৌলতপুর, সাদগাছি ও বেলাট নামে বারটি বাজার। একারণে জনপদের নাম হয় বারবাজার।

১২ আওলিয়ার বারবাজার

কথিত আছে, ১২ জন পীর আওলিয়ার নামে বারবাজারের নামকরণ হয়।
তারা হযরত বড়খান গাজির সঙ্গীও ছিলেন। তাদের গ্রামগুলো হলো এনায়েত খাঁর এনায়েতপুর,
আবদাল খাঁর নামে আবদালপুর, দৌলত খাঁর নামে দৌলতপুর, রহমত খাঁর নামে রহমতপুর,
শমসের খাঁর নামে শমসেরপুর, মুরাদ খাঁর নামে মুরাদগড়, হৈবত খাঁর নামে হৈবতপুর,
নিয়ামত খাঁর নামে নিয়ামতপুর, সৈয়দ খাঁর নামে সৈয়দপুর, বেলায়েত খাঁর নামে বেলাত বা (বেলাটনগর)
ও শাহাবাজ খাঁর নামে শাহাবাজপুর।

আরো পড়ুন: বাংলা ভাষার ব্যবহার কি ক্রমশ কোণঠাসা হয়ে পড়ছে?

এসব আওলিয়ার নামে শুধু বারবাজার নয়, পার্শ্ববর্তী অনেক গ্রামমগঞ্জের নামও তাদের নামানুসারে
রাখা হয়েছে। তবে ইতিহাস ঘেঁটে পাওয়া যায়, বারবাজারে হিন্দু ও বৌদ্ধ রাজাদের রাজধানী ছিল।
গ্রীক ইতিহাসে পেরিপাসে প্রথম শতকে যে গঙ্গারিডি বা গাঙ্গেয় রাজ্যের উল্লেখ পাওয়া যায়
তা এর নদী বিধৌত এলাকা। এখানে গঙ্গারিডি নামের এক শক্তিশালী জাতি বাস করত।
এদের রাজধানী ছিল বারবাজার।

আরো পড়ুন: কিভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা সহজে পাওয়া যায়

১২ আওলিয়ার বারবাজার

গঙ্গারিজিয়া বা গঙ্গারোজিয়া

এখানকার প্রাচীন নাম গঙ্গারিজিয়া বা গঙ্গারোজিয়া বারবাজারে একদা সমতট রাজ্যের রাজধানী ছিল।
সপ্তম শতকে এখানে বৌদ্ধ শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। বৌদ্ধ ও হিন্দু শাসনামলে বিশেষ উন্নতি হয়েছিল।
খানজাহান আলীর আগমনের পূর্বেই গঙ্গারিজিয়া রাজ্যের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যায়
এবং তিনি যখন বারবাজারে অবস্থান করতেন তখন এটা ছিল নাম করা বন্দর।
এরপর এখানে পাল বংশ, সেন, মোগল, পাঠান, ইংরেজসহ বহু জাতির আবির্ভাব ঘটে।

তবে কীভাবে এই সমৃদ্ধশালী সৌন্দর্যময় গঙ্গারিজিয়া বা বৈরাটনগর বা বারবাজার ভগ্নস্তুপে পরিণত হয়
তা স্পষ্ট নয়। কিংবদন্তি আছে, বঙ্গবিজয়ী বীর ইখতিয়ারউদ্দিন মোহাম্মদ বখতিয়ার খিলজী
নদীয়া দখলের পর নদীয়ার দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্বে বিস্তীর্ণ অঞ্চলের দিকে মনোযোগী না হয়ে
উত্তরদিকে বেশি আকৃষ্ট হয়ে পড়েন। ফলে তার বিজিত রাজ্য উত্তরদিকে প্রশস্ত হতে থাকে।

পরিশেষে শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ এর পৌত্র নাসির উদ্দিন মাহমুদ শাহ-এর শাসনামলে
যশোরখুলনার তার রাজ্যভুক্ত হয়। ওই অঞ্চলে তিনি বিজয়ের গৌরব অর্জন করেন।
বৃহত্তর খুলনা জেলার বাগেরহাটের পরশমণি শ্রেষ্ঠ আওলিয়া হযরত খানজাহান আলী
তিনি ১৬৫৯ সালে (৮৬৩) হিজরী ২৩ অক্টোবর ইহধাম ত্যাগ করেন।

তিনি এক সময় নিজের আত্মরক্ষার্থে একটি ক্ষুদ্র সেনাবাহিনীর অধিনায়ক হয়ে কুষ্টিয়া জেলার
দৌলতগঞ্জে প্রবেশ করেন। সেখান থেকে বৃহত্তর যশোর জেলার কোটচাঁদপুর উপজেলার
হাকিমপুর হয়ে বারবাজার অভিমুখে রওনা দেন। পথিমধ্যে জনসাধারণের পানীয়জলের তীব্র কষ্ট দেখে
তিনি এ অঞ্চলে অগণিত দিঘি আর পুকুর খনন করেন।
কথিত আছে, একই রাতে এসব জলাশয় খনন করা হয়।
ফলে বারবাজার অঞ্চলে ৮৪ একর পুকুর ও দিঘি এখনও বিদ্যমান।

১২ আওলিয়ার বারবাজার

উল্লেখযোগ্য দিঘি

এ অঞ্চলে ১৮টি উল্লেখযোগ্য দিঘির নামানুসারে জানা যায়, পীরপুকুর (৪ একর), গোড়ারপুকুর (৫ একর), সওদাগর দিঘি (১১ একর), সানাইদার পুকুর (৩ একর), সাতপীরের পুকুর (৩ একর), ভাইবোনের দিঘি (৪ একর), আনন্দ (২ একর), গলাকাটা দিঘি (৪ একর), জোড়াবাংলা দিঘি (৩ একর), চোরাগদা দিঘি (৪ একর), মাতারাণী দিঘি (৮ একর), নুনোগোলা দিঘি (৩ একর), কানাইদিঘি (৩ একর), পাঁচ পীরের দিঘি (৩ একর), মনোহর দিঘি (৩ একর), আদিনা দিঘি (৩ একর), শ্রীরাম রাজার দিঘি (১০ একর) ও বেড় দিঘি (৮ একর)। সর্বমোট ৮৪ একর দিঘি।

এক সময় হযরত খানজাহান আলী বেলাট-দৌলতপুরের পূর্ব দিকে বাদুরগাছা গ্রামের প্রভাবশালী শ্রীরাম রাজাধীরাজের মুখোমুখি হয়ে পড়েন এবং কিছুটা বাধাগ্রস্ত হন। ফলে তিনি ইসলাম ধর্ম প্রচারে অধিক উৎসাহী হয়ে এই বারবাজারে এক যুগকাল অবস্থান করেন। তার দৃঢ় মনোবল, উদারতা, দানশীল ও মহানুভবতায় এলাকাবাসী মুগ্ধ হন। অনেক অমুসলিম ইসলাম ধর্ম গ্রহণে সচেষ্ট হন।

এভাবে একযুগ অবস্থানের পর তিনি এক শিষ্যের তত্ত্বাবধানে রেখে শেষজীবন বাগেরহাটে পার করেন। খানজাহান আলীর এক যুগ সাধনার স্থাপত্য নিদর্শন রয়ে গেছে এই বারবাজারে। এ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় নিদর্শন ৩২ গম্বুজ বিশিষ্ট সাতগাছিয়া আদিনা মসজিদ ও বারবাজার গলাকাটা দিঘির ৬ গম্বুজ বিশিষ্ট একটি মসজিদ।

ঐতিহ্যবাহী মসজিদকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠতে পারে পর্যটন কেন্দ্র

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের ঐতিহাসিক প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো ১৯৯৩ সালে অল্প জায়গার মাটি খুঁড়ে প্রায় ৭০০ বছরের প্রাচীন প্রতœতত্ত্বের সন্ধান মিললেও এখানে কোনো পর্যটন কেন্দ্র গড়ে ওঠেনি। মাটি সরিয়ে অভিনব সব স্থাপনা আবিষ্কার করা হলেও তার ইতিহাস ‘মাটিচাপা’ পড়েই থাকছে।

১২ আওলিয়া: বারো বাজারের অবস্থান

বারো আউলিয়া, খানজাহান আলী, গাজী কালু চম্পাবতী, গঙ্গারিডিসহ বারোবাজারের ইতিহাসের শেষ নেই। বারোবাজারের রেললাইনের পশ্চিম পাশে তিন বর্গকিলোমিটার জায়গার মধ্যে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ মাটি খুঁড়ে মসজিদসহ ১৫টি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের সন্ধ্যান পেয়েছে।

এগুলো হচ্ছে সাতগাছিয়া মসজিদ, ঘোপের ঢিপি কবরস্থান, নামাজগাহ কবরস্থান, গলাকাটা মসজিদ, জোড়বাংলা মসজিদ, মনোহর মসজিদ, জাহাজঘাটা, দমদম প্রত্নস্থান, গোড়ার মসজিদ, পীর পুকুর মসজিদ, শুকুর মল্লিক মসজিদ, নুনগোলা মসজিদ, খড়ের দীঘি কবরস্থান, পাঠাগার মসজিদ ও বাদেডিহি কবরস্থান। ১৯৯৩ সাল থেকে খনন করে এ পর্যন্ত ওই নিদর্শনগুলো মাটির নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ নিদর্শনের এ স্থানটির নাম দিয়েছে ‘শহর মোহাম্মদাবাদ’। মনে করা হয়,এসব পঞ্চদশ শতাব্দীর কীর্তি। তবে ১৯৯৩ সালে জোড়বাংলা মসজিদ খননের সময় একটি শিলালিপি পাওয়া যায়। তাতে লেখা ছিল শাহ সুলতান মাহমুদ ইবনে পুসাইন ৮০০ হিজরি। এই শিলা লিপিটি এখানকার প্রত্নতত্ত্বের অন্যতম দলিল। এ থেকেই বোঝা যায়, নিদর্শনগুলো প্রায় ৭০০ বছরের প্রাচীন। বেশিরভাগ নিদর্শনের পাশে বিরাট বিরাট দীঘি রয়েছে।

গোরার মসজিদ: ১২ আওলিয়ার বারবাজার

বারবাজার বেলাট দৌলতপুরে কারুকাজ খচিত বর্গাকৃতির মসজিদটি চার গম্বুজ বিশিষ্ট। মূল ভবনের সঙ্গে চারকোনে আটকোন বিশিষ্ট স্তম্ভ এবং বারান্দার সঙ্গে আরও দুটি স্তম্ভ আছে। মসজিদটির মেহরাব ও দেওয়াল বিভিন্ন নকশা সজ্জিত। মসজিদের অভ্যন্তরে চারি দেওয়ালের সঙ্গে সংযুক্ত আটটি ইটের তৈরী কেবলা দেওয়ালে ও মেহরাবে পোড়া মাটির নকশা, শিকল নকশা,বৃক্ষপত্রাদীর নকশা পুষ্পশোভিত পোড়া মাটির নকশা খঁচিত আছে। মসজিদের পূর্বপাশে একটি বিশাল দীঘি আছে।

জোড়বাংলা মসজিদ

বারবাজার তাহেরপুর রাস্তার বাম পাশে জোড়বাংলা মসজিদটি অবস্থিত। প্রচলিত লোককথা মতে মসজিদের কাছাকাছি জোড়া কুড়ে ঘর ছিল। এ কারণেই হয়তো মসজিদটির নামকরণ জোড়বাংলা হয়ে থাকবে। ধারনা করা হয় এক গম্বুজ বিশিষ্ট এই মসজিদটি সুলতান গিয়াস উদ্দীন মাহমুদ শাহের শাসন আমলে নির্মিত। মসজিদের পূর্ব পাশে তিনটি সুচালো খিলান যুক্ত প্রবেশ পথ আছে। মসজিদের চার কোণে আটকোণ বিশিষ্ট চারটি কারুকাজ খঁচিত টাওয়ার আছে।

নুনগোলা মসজিদ

বারবাজার হাসিল বাগে অবস্থিত নুনগোলা মসজিদটিও বর্গাকৃতির একটি মসজিদ। মসজিদটিতে তিনটি অর্ধবৃত্তাকৃতির মেহরাব আছে। মেহরাবে ছোট ছোট বর্গাকৃতির মধ্যে বিভিন্ন জ্যামিতিক নকশা আছে। মসজিদের বাইরের দেওয়ালে পর্যায়ক্রমিক খাড়া চাল ও খাজ আছে। এগুলোতে দিগন্ত রেখাকৃতির ছাচে গড়া নকশা ও বাধন আছে। মসজিদের ওপরে একটি গম্বুজ আছে।

গলাকাটা মসজিদ: ১২ আওলিয়ার বারবাজার

বারবাজার তাহেরপুর রাস্তার উত্তর পাশে অবস্থিত গলাকাটা মসজিদটি সুলতানী আমলের আরেক অনিন্দ্য সুন্দর এক স্থাপত্য শিল্প। গোলাকার ঢিবির উপর স্থাপিত মসজিদটির ভেতরের দিকের কেবলা দেওয়ালে তিনিটি অর্ধবৃত্তাকারাকৃতির সুসজ্জিত মেহরাব আছে। মেহররাবের দু’পাশে পোড়া মাটির দিগন্ত রেখাকৃতির বাধন, বিভিন্ন প্রকার জ্যামিতিক ও ফুলের নকশা আছে। এছাড়া পোড়া মাটির ঘন্টা ও চেইন নকশা মসজিদের দেওয়াল ও ছাদ জুড়ে আছে। মসজিদের সাথেই আছে একটি বৃহদাকার দীঘি।
শুকুর মল্লিক মসজিদ

এটি একটি বর্গাকাকৃতির এক গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ। দেখতে অনেকটা ঢাকার বিনত বিবির মসজিদের মত। মসজিদটির উভয় পাশে একটি করে বন্ধ মেহরাবসহ পশ্চিম পাশে একটি অর্ধবৃত্তাকৃতির মেহরাব
আছে। এই মেহরাবগুলোতে আছে পোড়া মাটির ঘন্টা ও চেইন নকশা। অপরুপ নকশাগুলো মানুষের হৃদয় ছুয়ে যায়।

বারবাজারের এ সকল সুদৃশ্য প্রত্নতত্ব নির্দশনের তেমন প্রচার না থাকায় পর্যটক শূণ্য থাকছে এলাকাটি। এছাড়া আবাসিক হোটেল সহ অন্যান্য সুব্যবস্থা না থাকায় পর্যটকদের নজর কাড়তে ব্যর্থ হচ্ছে এ অঞ্চল। ফলে বর্তমান প্রজন্ম সঠিক কোনো ইতিহাসও জানতে পারছেন না। এলাকাবাসির আশা সরকারী উদ্যোগে ব্যপক প্রচারের মাধ্যমে পর্যটকদের উৎসাহী করতে পারলে এবং সরকারিভাবে মসজিদগুলোকে ঘিরে পরিকল্পিতভাবে শোভাবর্ধনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারলে সরকারের পাশাপাশি এ অঞ্চলের মানুষেরা আর্থিক ভাবে লাভবান হতে পারতো।

Categories
খবর

কিভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা সহজে পাওয়া যায়

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা:
বহু মানুষের স্বপ্নের দেশ যুক্তরাষ্ট্র। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার জন্য অনেকে স্বপ্ন দেখে।
বাংলাদেশের অনেক মানুষ সেখানে যেতে চায়। অনেকেই যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী ভাবে বসবাস করতে যেতে চায়। কেউবা স্বপ্ন দেখে যুক্তরাষ্ট্রের কোন নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করতে।

বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশটির অভিবাসন নীতিতে পরিবর্তন করেছেন।
ফলে আগের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাওয়া এখন একটু কঠিন  ।
তবে এর মধ্যেও চাকরি, পরিবার ও শিক্ষাক্ষেত্রে সহজে ভিসা পাওয়ার পথ রয়েছে।
সেই সব পথ তুলে ধরা হল বাংলা ডেস্কের পাঠকদের জন্য।

যুক্তরাষ্ট্রে কয়েকটি ক্যাটাগরিতে ভিসা পাওয়া যায়। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ‘ইবি সিরিজ’ (এমপ্লয়মেন্ট বেজড)।
এই সিরিজের  ১ থেকে ৫ পর্যন্ত বিভাগ হচ্ছে চাকরির ভিসা পেতে ইচ্ছুক যারা তাদের জন্য।

ইবি-১: এই ক্যাটাগরিতে কয়েকটি বিষয়কে প্রাধান্য দেয়া হয়।
কোনো বিশেষ বিষয়ে বিশেষ দক্ষতা থাকলে এই ভিসা পাওয়া যেতে পারে।
এছাড়া গবেষণাক্ষেত্রে ভালো দক্ষতা থাকলে চাকরি পেতে পারেন।
গবেষণার অভিজ্ঞতার জন্য চাকরির ভিসা পেতে চাইলে সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র প্রয়োজন হয়।

ইবি-২: ব্যতিক্রমী দক্ষতা বা উচ্চতর শিক্ষা থাকলে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে চাকরির জন্য ভিসা পেতে পারেন।
তবে এক্ষেত্রে ভিসার আবেদন করতে চাইলে যুক্তরাষ্ট্রে কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে
চাকরির অফার লেটার জমা দিতে হবে।

ইবি-৩: দক্ষ কর্মী বা দক্ষ প্রফেশনাল ব্যক্তিরা এই ক্যাটাগরিতে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পেতে পারে।
এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে চাকরির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরির অফার লেটার থাকতে হবে।

ইবি-৪: যুক্তরাষ্ট্র বিশেষ অভিবাসীদের ভিসা দিয়ে থাকে।
অভিবাসীদের মধ্যে যারা ন্যাটোর সাবেক কর্মী বা ন্যাটোর সাবেক কর্মীর স্পাউস, ডাক্তার,
স্বশস্ত্র বাহিনীর সদস্য, ইরাক বা আফগানিস্তানের ভাষা জানেন এবং ইংরেজি অনুবাদ করতে পারেন
এমন ব্যক্তি, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব বা কর্মীরা ভিসার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পেয়ে থাকেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা

ইবি-৫: কেউ যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে উদ্যোক্তা হতে চান তাহলে তিনি ভিসা পেতে পারেন। তবে এই ক্যাটাগিরতে ভিসা পেতে হলে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ব্যবসা শুরু করতে হবে এবং কমপক্ষে ১০ জন আমেরিকান নাগরিকের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে হবে। এই ক্যাটাগরিতে ভিসা পেতে কমপক্ষে ৪ কোটি টাকার বেশি বা ৫ লাখ ডলার বিনিয়োগ করতে হবে।

উপরের বিষয়গুলো ছাড়াও আরো  কয়েকটি বিভাগে ভিসা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

আরো পড়ুন: বাংলা ভাষার ব্যবহার কি ক্রমশ কোণঠাসা হয়ে পড়ছে?

কর্মসংস্থানভিত্তিক কাজের প্রস্তাব: যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রতিষ্ঠান কাজের সুযোগ দিয়ে যদি অফার লেটার পাঠায় তাহলে সেই অফার লেটারসহ আবেদন করে ভিসা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

এক্ষেত্রে ওই প্রতিষ্ঠানকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ডিপার্টমেন্ট অব লেবার’ (ডিওএল) থেকে সার্টিফিকেট নিতে হয় এবং অভিবাসী শ্রমিক নিয়োগের অনুমতি চেয়ে আবেদন করতে হয়। যুক্তরাষ্ট্র প্রতিবছর এই ক্যাটাগরিতে ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষকে দেশটিতে যাওয়ার অনুমতি দেয়।

বিবাহের মাধ্যমে: পরিবার বা আইনগতভাবে বৈধ সঙ্গী যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব হয়ে থাকলে সহজেই ভিসা পাওয়া যেতে পারে। কোনো মার্কিনির সঙ্গে আপনার বাগদান হলেও আপনি সেখানে যাওয়ার অনুমতি পেতে পারেন।

লেখাপড়া: যুক্তরাষ্ট্র লেখাপড়ার জন্য বৃত্তি ও অন্যান্য সুবিধায় ভিসা দিয়ে থাকে। তবে এই ভিসায় সেখানে অস্থায়ীভাবে থাকার সুযোগ মিলে।

Categories
গবেষণা বিজ্ঞান

মৌলিক বিজ্ঞানের নক্ষত্র অধ্যাপক ড. জামাল নজরুল ইসলাম

অধ্যাপক ড. জামাল নজরুল ইসলাম খ্যাতনামা বাংলাদেশি বিজ্ঞানী । মহাবিশ্বের শেষ পরিণতি নিয়ে গবেষণা করেছিলেন তিনি। ষ্টিফেন হকিংসহ আরও অনেক বিখ্যাত বিজ্ঞানী ছিলেন তাঁর ঘনিষ্ট বন্ধু ও সহকর্মী।
তাঁর লেখা গবেষণায় অনুপ্রাণিত হয়েছিলো আরেক বিখ্যাত বিজ্ঞানী ফ্রিম্যান ডাইসন।

মহাবিশ্ব প্রসারিত হচ্ছে। সেই প্রসারণের খোঁজ নিতে গিয়েই বিগব্যাং তত্ত্বের জম্ন হয়। এ নিয়ে ব্যাপক গবেষণা হয়, এখনো সে গবেষণা অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু মহাবিশ্বের শেষ পরিণতি কী হতে পারে,
সেটা নিয়ে খুব বেশি বিজ্ঞানী সেকালে মাথা ঘামাননি।
এই কাজটি করেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী জামাল নজরুল ইসলাম।
তখন এ কাজটি কিন্তু সহজ ছিল না। তখনো তড়িৎ মহাবিশ্বের বিষয়টি আসেনি কসমোলজিতে।

আবার হয়েল-নারলিকরের স্টেডি ষ্টেট থিওরি বা স্থির মহাবিশ্বের ধারণা পুরোপুরি বাতিল হয়নি।
মহাবিশ্বের আকার সমতল, প্যারাবলিক নাকি আবদ্ধ সে সম্পর্কেও নিশ্চিত কোনো ধারণা ছিল না।
তাই সব মিলিয়ে মহাবিশ্বের শেষ পরিণতি নিয়ে কাজ করাটাই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল।
জামাল নজরুল ইসলাম সেই ঝুঁকিটা নিয়েছিলেন।
লিখেছিলেন তাঁর কালজয়ী বই আল্টিমেট ফেট অব দ্য ইউনিভার্স।
বিখ্যাত কসমোলজিস্ট ফ্রিম্যান ডাইসন পর্যন্ত তাঁর বই পড়ে অনুপ্রানিত হয়েছিলেন।

দেশে ফিরে আসা

ক্যারিয়ারের যখন তুঙ্গে অবস্থান করছেন সেই সময় দেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন জামাল নজরুল ইসলাম। এ দেশে বিজ্ঞান গবেষণার জন্য একটা উপযুক্ত পরিবেশ গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন।
প্রয়াত অধ্যাপক ড. জামাল নজরুল ইসলাম বেঁচে আছের তাঁর বিজ্ঞান সাধনায়।

মৌলিক বিজ্ঞানে বাংলাদেশের যাঁদের অবদান অবিস্মরণীয় তাঁদের মধ্যে অন্যতম
অধ্যাপক ড. জামাল নজরুল ইসলাম। বিশ্ব বিজ্ঞানের সারস্বত সমাজেও ছিলো তাঁর সমাদর ও খ্যাতি।
বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলামের জন্ম তাঁর বাবার কর্মক্ষেত্র সূত্রে
ঝিনাইদহে  ১৯৩৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি।

সত্যেন বোস, জগদীশচন্দ্র বসু, মাকসুদুল আলমের মত নামকরা বিজ্ঞানীদের জম্নস্থান বাংলাদেশে।
জন্মেছেন জামাল নজরুল ইসলামের মত মহান বিজ্ঞানী ও ব্যক্তিত্ব।
তিনি ছিলেন একাধারে  পদার্থবিজ্ঞানী, গণিতবিদ, জ্যাোতির্বিজ্ঞানী ও বিশ্বতত্ত্ববিদ।
বাংলাদেশের গর্বিত বিজ্ঞানী আসন পেতে আছেন অনেকের হৃদয়েই।

অধ্যাপক ড. জামাল নজরুল: শিক্ষা জীবন

কলকাতায় স্কুল জীবনের সূচনা হয় জামাল নজরুল ইসলামের,
এরপর চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুলে অল্প কিছু দিন অধ্যায়ন করেন। চট্টগ্রাম থেকে চলে যান পাকিস্তান।
লরেন্স কলেজ থেকে সিনিয়র কেমব্রিজ পাস করেন তিনি।
কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে বিএসসি সম্মান ডিগ্রি অর্জন করেন।
বিএসসি সম্মান ডিগ্রি অর্জন শেষে বৃত্তি নিয়ে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিতে ট্রাইপজে তিন বছরের কোর্স দুই বছরে শেষ করেন। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৬০ সালে মাস্টার্স শেষ করেন।
১৯৬৪ সালে কেমব্রিজ থেকেই প্রায়োগিক গণিত ও তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।
এরপর ড. জামাল নজরুল ইসলাম অত্যন্ত দুর্লভ ও সম্মানজনক ডক্টর অব সায়েন্স
বা ডিএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। ছাত্রজীবনে তাঁর সমসাময়িক ও আজীবনের
ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন একবিংশ শতাব্দীর অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং।

মৌলিক বিজ্ঞানের নক্ষত্র অধ্যাপক ড. জামাল নজরুল ইসলাম

১৯৬৩ থেকে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ডক্টরাল ফেলো ছিলেন।
১৯৬৭ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত কেমব্রিজ ইনস্টিটিউট অব থিওরেটিক্যাল অ্যাস্ট্রোনমিতে গবেষণা করেছেন। ১৯৭১-৭২ দুই বছর ক্যালটেক বা ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে ভিজিটিং অধ্যাপক ছিলেন। তিনি ১৯৭৩-৭৪ সালে লন্ডনের কিংস কলেজে ফলিত গণিতের শিক্ষক।
১৯৭৫ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ে সায়েন্স রিসার্চ ফেলো এবং ১৯৭৮ থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত  সিটি ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ছিলেন।

গবেষণা নিবন্ধ

অধ্যাপক ড. জামাল নজরুল ইসলামের অনেক গবেষণা নিবন্ধ বিখ্যাত সব বিজ্ঞান জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। ১৯৮৩ সালে তাঁর গবেষণাগ্রন্থ
‘দ্য আল্টিমেট ফেইট অব দ্য ইউনিভার্স’ কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হলে
সারা বিশ্বের কসমোলজিস্টদের মধ্যে হইচই পড়ে যায়।
দ্রুত বইটি পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়। পরের বছর কেমব্রিজ থেকেই প্রকাশিত হয়
‘ক্লাসিক্যাল জেনারেল রিলেটিভিটি’। তাঁর গবেষণা আইনস্টাইন-পরবর্তী মহাবিশ্ব গবেষণায়
বিরাট অবদান রেখেছে। তিনি এই ধারায় গবেষণা অব্যাহত রেখে পরবর্তীকালে লেখেন
ফার ফিউচার অব দ্য ইউনিভার্স বা মহাবিশ্বের দূরবর্তী ভবিষ্যৎ।

সৌরজগতের বিভিন্ন গ্রহ কখনো এক সরলরেখায় এলে পৃথিবীর ওপর তার প্রভাব পড়বে কি না?
তা নিয়ে কাজ করেছেন অধ্যাপক ড. জামাল নজরুল ইসলাম। তাঁর গবেষণায় আশার কথাই শুনিয়েছিলেন
—সে রকম ঘটার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।
কেমব্রিজ এবং পশ্চিমে শিক্ষার গবেষণা ও অধ্যাপনায় থাকাকালে তাঁর বন্ধু ও সুহৃদমহল গড়ে ওঠে বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানীদের নিয়ে। এঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন তাঁর শিক্ষক ফ্রিম্যান ডাইসন,
পদার্থবিজ্ঞানী রিচার্ড ফাইনম্যান, ভারতের সুব্রহ্মনিয়াম চন্দ্রশেখর,
পাকিস্তানের আবদুস সালাম, ভারতীয় অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন ও অমিয় বাগচী,
তাঁর সহপাঠী জয়ন্ত নারলিকার, ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ জিম মার্লিস প্রমুখ।

মৌলিক বিজ্ঞানের নক্ষত্র অধ্যাপক ড. জামাল নজরুল ইসলাম

১৯৮৪ সালে অধ্যাপক ড. জামাল নজরুল ইসলাম জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিলেন।
পশ্চিমের উন্নত দেশে ৩০ বছরের অভ্যস্ত জীবন, সম্মানজনক পদ, গবেষণার অনুকূল পরিবেশ, বিশ্বমানের গুণীজন সাহচর্য এবং আর্থিকভাবে লোভনীয় চাকরি ছেড়ে
দুই মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে বাংলাদেশে ফিরে এলেন। এলেন একেবারে নিজ জেলা চট্টগ্রামে।
অতি দামি চাকরি ছেড়ে দিয়ে তিন হাজার টাকা বেতনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিত বিভাগে যোগ দিলেন।

অধ্যাপক ড. জামাল নজরুল ইসলাম লিখেছেন, ‘স্থায়ীভাবে বিদেশে থাকার চিন্তা আমার কখনোই ছিল না।
দেশে ফিরে আসার চিন্তাটা প্রথম থেকেই আমার মধ্যে ছিল, এর ভিন্নতা ঘটেনি কখনোই।
আরেকটা দিক হলো বিদেশে আপনি যতই ভালো থাকুন না কেন, নিজের দেশে নিজের মানুষের মধ্যে আপনার যে গ্রহণযোগ্যতা এবং অবস্থা সেটা বিদেশে কখনোই সম্ভব ছিল না।’

অধ্যাপক ড. জামাল নজরুল:
উচ্চতর বিজ্ঞান গবেষণাগার প্রতিষ্ঠা

দেশে ফিরে এসে একদিকে জামাল নজরুল ইসলাম গড়ে তুলেছেন উচ্চতর বিজ্ঞান গবেষণাগার আন্তর্জাতিক মানের প্রতিষ্ঠান গাণিতিক ও ভৌতবিজ্ঞান গবেষণাকেন্দ্র বা রিচার্স সেন্টার ফর ম্যাথমেটিক্যাল অ্যান্ড ফিজিক্যাল সায়েন্স (আরসিএমপিএস)। সে সম্পর্কে বাংলাদেশের প্রবীণ পদার্থবিজ্ঞানী প্রফেসর এ এম হারুন-অর রশিদ বলেন, ‘পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে এখানে আগত খ্যাতিমান পদার্থবিজ্ঞানী, আপেক্ষিকতত্ত্ববিদ এবং বিশ্ব সৃষ্টি তাত্ত্বিকদের অবদান’ স্মরণ করে এ প্রতিষ্ঠানকে প্রফেসর ইসলামের শ্রেষ্ঠ কীর্তি। এখানে তিনি উচ্চতর গবেষণার ছাত্রদের সহায়তার পাশাপাশি অনেক আন্তর্জাতিক সেমিনার আয়োজন করেছেন, যাতে অনেক নোবেলজয়ীসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের পণ্ডিতজন যোগ দিয়েছেন।অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে এই সম্ভাবনাময় প্রতিষ্ঠানটি আজ যথাযথভাবে ভূমিকা পালন করতে পারছে না।

২০০১ সালে গুজব রটে, পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে তাড়াতাড়িই। কারণ হিসেবে বাংলাদেশের পত্রিকাগুলো জানায়, সৌরজগতের গ্রহগুলো এক সরলরেখা বরাবর চলে আসবে! সে সময় অধ্যাপক ড. জামাল নজরুল ইসলাম হিসাব কষে দেখিয়েছিলেন, আপাতত পৃথিবী ধ্বংসের কোনো কারন নেই। আর গ্রহগুলোর সরলরেখার সাথে পৃথিবী ধ্বংসের কোনো সম্পর্ক নেই।

অধ্যাপক ড. জামাল নজরুল এর ব্যক্তি জীবন

ব্যক্তি হিসেবে তিনি ছিলেন আজব প্রকৃতির। আশ্চর্যজনকভাবে, তিনি ক্যালকুলেটরের প্রতি অনীহা পোষণ করতেন। গণিতের হিসেব নিজের মাথা খাটিয়ে বের করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতেন।

১৯৭৭ সালে করা অধ্যাপক ড. জামাল নজরুল ইসলাম একটি গবেষণার (Possible Ultimate Fate of the Universe) ড্রাফ্‌ট থেকে বড় বড় বিজ্ঞানীরা উৎসাহিত হয়েছিলেন পৃথিবীর ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে। এ বিষয়ে অধ্যাপক ড. জামাল নজরুল ইসলামের অবদানের কথা স্বীকার করে বিখ্যাত পদার্থবিদ এবং গণিতজ্ঞ ফ্রিম্যান ডাইসন বলেন, ‘We are particularly indebted to Jamal Islam, a physicist colleague now living in Bangladesh. For an early draft of his 1977 paper which started us thinking about the remote future.’

অধ্যাপক ড. জামাল নজরুল

বিজ্ঞানের জগতে অধ্যাপক ড. জামাল নজরুল ইসলামের অবদান কতোটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল, তা নোবেল জয়ী বিজ্ঞানী ড. আব্দুস সালামের কথায়ই বোঝা যায়। তিনি বলেছিলেন, এশিয়ার মধ্যে আমার পরে যদি দ্বিতীয় কোনো ব্যক্তি নোবেল পুরস্কার পায়, তবে সে হবে প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলাম।

তিনি মহাবিশ্বের উদ্ভব ও পরিণতি বিষয়ে মৌলিক গবেষণার জন্য বিশেষভাবে খ্যাত। বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি, রয়েল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি, কেমব্রিজ ফিলোসফিক্যাল সোসাইটি, ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর থিওরেটিক্যাল ফিজিক্স, বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমি ও এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশের সদস্য ছিলেন তিনি।

বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান চর্চার ক্ষেত্রে অধ্যাপক ড. জামাল নজরুল ইসলাম অনেক উৎসাহ জুগিয়েছেন। তিনি বলেছিলেন, ‘অনেকের ধারণা, ভালো ইংরেজি না জানলে বিজ্ঞানচর্চা করা যাবে না। এটা ভুল ধারণা। মাতৃভাষায় বিজ্ঞানচর্চা হতে পারে, উচ্চতর গবেষণা হতে পারে। বাংলায় বিজ্ঞানের অনেক ভালো বই আছে। আমি নিজেও অনেক প্রবন্ধ বাংলায় লিখেছি। অনেকেই বাংলাতে বিজ্ঞানভিত্তিক লেখা লিখছেন। তাঁদের সমস্যা হয় বলে আমার মনে হয় না। সুতরাং বাংলায় বিজ্ঞানচর্চাটা গুরুত্বপূর্ণ।’

আরো পড়ুন:আকাশগঙ্গা

পুরষ্কার ও সম্মাননা

বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমী ১৯৮৫ সালে ড. জামাল নজরুল ইসলামকে স্বর্ণপদকে ভূষিত করে। ১৯৯৪ সালে তিনি ন্যাশনাল সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি মেডেল পান। ১৯৯৮ সালে ইতালির আব্দুস সালাম সেন্টার ফর থিওরিটিক্যাল ফিজিক্সে থার্ড ওয়ার্ল্ড একাডেমি অব সায়েন্স অনুষ্ঠানে তাঁকে মেডাল লেকচার পদক দেওয়া হয়। তিনি ২০০০ সালে কাজী মাহবুবুল্লাহ ও জেবুন্নেছা পদক পান। ২০০১ সালে লাভ করেন একুশে পদক। ২০১১ সালে পদার্থবিজ্ঞানে অবদান রাখার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজ্জাক-শামসুন আজীবন সম্মাননা পদক পান।

সরল বিশ্বাসপ্রবণ মানবতাবাদী জামাল নজরুল ইসলাম সমাজের নানা সংস্থা ও উদ্যোগে জড়িয়ে পড়েন। তাঁর মূল্যবান সময়ের অনেকখানিই সেই সব উদ্যোগে ব্যয় হয়। দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা তাঁকে চিন্তিত রাখত। সমাজে হিংসা ও হানাহানি, ক্ষমতাবানের দৌরাত্ম্য, চরমপন্থা ও অসহিষ্ণুতার প্রকোপ তাঁকে খুবই কষ্ট দিত। মানুষের মধ্যে লোভ আর স্বার্থপরতা দেখলেও তিনি খুব মনঃকষ্টে ভুগতেন। আবার তাঁর সারল্যের সুযোগ নিতেও অনেকে কসুর করেনি।

উন্নয়নের নামে প্রকৃতি, পরিবেশ ও গরিবের স্বার্থবিরোধী কাজ দেখলে তিনি হতাশ ও ক্ষুব্ধ হতেন। একপর্যায়ে তিনি এ নিয়ে কঠোর সমালোচনা প্রকাশ করেই ক্ষান্ত হতেন না; বহুতল ভবন, যত্রতত্র স্থাপনা নির্মাণ এবং বঞ্চনা ও বৈষম্যের অর্থনীতি, কালোটাকা ও অবৈধ সম্পদের ছড়াছড়ির বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছিলেন।

পাশ্চাত্য যখন ইরাকে আক্রমণ চালায়, তখন এই মনীষীও, তাঁর প্রিয় কবি রবীন্দ্রনাথের মতো, পশ্চিমা সভ্যতার ওপর আস্থা হারিয়েছিলেন। ধর্মপ্রাণ বিশ্বাসী মানুষটি রবীন্দ্রনাথের মতোই মানুষের ওপর শেষ পর্যন্ত আস্থা হারাতে চাননি। তবে বহুমূল্যে তিনি জেনেছিলেন, নিঃসংশয়ে বিশ্বাস করা যায় কেবল খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষকে। রবীন্দ্রনাথ যে ‘মানবপীড়নের মহামারি পাশ্চাত্য সভ্যতার মজ্জার ভেতর থেকে জাগ্রত হয়ে উঠে (আজ) মানবাত্মার অপমানে’ লিপ্ত দেখেছিলেন, তা এবং তারই বীভৎস প্রভাব নিজ দেশে দেখতে পেয়ে প্রফেসর ইসলামও ভীষণ কষ্ট পাচ্ছিলেন।

আবার রবীন্দ্রনাথের মতোই তাঁর বিশ্বাস ছিল, ‘পরিত্রাণকর্তা আসবেন দারিদ্র্য লাঞ্ছিত কুটির থেকে পূর্বাচলের সূর্যোদয়ের দিগন্ত থেকে।’

এই আশাবাদ নিয়েই ২০১৩ সালের ১৬ মার্চ মধ্যরাতে এ মহান বিজ্ঞানী আমাদের ছেড়ে গেছেন।

রচিত গ্রন্থসমূহ

১) দ্যা আলটিমেট ফেইট অব দ্যা ইউনিভার্স (১৯৮৪)
২) ক্লাসিক্যাল জেনারেল রিলেটিভিটি (১৯৮৪)
৩) রোটেটিং ফিল্ডস ইন জেনারেল রিলেটিভিটি (১৯৮৪)
৪) অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু ম্যাথমেটিক্যাল কসমোলজি(১৯৯২)
৫) স্কাই অ্যান টেলিস্কোপ
৬) দ্যা ফার ফিউচার অব দ্যা ইউনিভার্স (স্প্যনিশ ভাষায় অনূদিত)
৭) কৃষ্ণবিবর
৮) মাতৃভাষা ও বিজ্ঞানচর্চা এবং অন্যান্য প্রবন্ধ
৯) শিল্পসাহিত্য ও সমাজ

Categories
ভাষা

বাংলা ভাষার জন্মকথা -হুমায়ুন আজাদ

বাংলা ভাষার জন্মকথা
কোথা থেকে এসেছে আমাদের বাংলা ভাষা ? ভাষা কি জন্ম নেয় মানুষের মতো ?
বা যেমন বীজ থেকে গাছ জন্মে তেমনভাবে জন্ম নেয় ভাষা ?
না, ভাষা মানুষ বা তরুর মতো জন্ম নেয় না।
বাংলা ভাষাও মানুষ বা তরুর মতো জন্ম নেয়নি, কোনো কল্পিত স্বর্গ থেকেও আসেনি।
এখন আমরা যে বাংলা ভাষা বলি এক হাজার বছর আগে তা ঠিক এমন ছিল না।
এক হাজার বছর পরও ঠিক এমন থাকবে না। ভাষার ধর্মই বদলে যাওয়া।
বাংলা ভাষার আগেও এদেশে ভাষা ছিল।

সে ভাষায় এদেশের মানুষ কথা বলত, গান গাইত, কবিতা বানাত। মানুষের মুখে মুখে বদলে যায় ভাষার ধ্বনি।
রূপ বদলে যায় শব্দের, বদল ঘটে অর্থের। অনেকদিন কেটে গেলে মনে হয় ভাষাটি
একটি নতুন ভাষা হয়ে উঠেছে। আর সে ভাষার বদল ঘটেই জন্ম হয়েছে বাংলা ভাষার।

আজ থেকে এক শ বছর আগেও কারও কোনো স্পষ্ট ধারণা ছিল না বাংলা ভাষার ইতিহাস সম্পর্কে।
কেউ জানত না কত বয়স এ ভাষার। সংস্কৃত ভাষার অনেক শব্দ ব্যবহৃত হয় বাংলা ভাষায়।
এক দল লোক মনে করতেন ওই সংস্কৃত ভাষাই বাংলার জননী। বাংলা সংস্কৃতের মেয়ে।
তবে দুষ্টু মেয়ে, যে মায়ের কথামতো চলেনি। না চলে চলে অন্য রকম হয়ে গেছে।
তবে উনিশ শতকেই আরেক দল লোক ছিলেন, যাঁরা মনে করতেন বাংলার সাথে সংস্কৃতের সম্পর্ক বেশ দূরের।

তাঁদের মতে, বাংলা ঠিক সংস্কৃতের কন্যা নয়। অর্থাৎ সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে উৎপত্তি ঘটেনি বাংলার। ঘটেছে অন্য কোনো ভাষা থেকে। সংস্কৃত ছিল সমাজের উঁচুশ্রেণির মানুষের লেখার ভাষা। তা কথ্য ছিল না। কথা বলত মানুষেরা নানা রকম ‘প্রাকৃত’ ভাষায়। প্রাকৃত ভাষা হচ্ছে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের কথ্য ভাষা। তাঁরা বিশ্বাস করতেন যে, সংস্কৃত থেকে নয়, প্রাকৃত ভাষা থেকেই উদ্ভব ঘটেছে বাংলা ভাষার।

বাংলা ভাষার জন্মকথা

কিন্তু নানা রকম প্রাকৃত ছিল ভারতবর্ষের বিভিন্ন অঞ্চলে। তাহলে কোন প্রাকৃত থেকে উদ্ভব ঘটেছিল বাংলার ? এ সম্পর্কে প্রথম স্পষ্ট মত প্রকাশ করেন জর্জ আব্রাহাম গ্রিয়ারসন। বহু প্রাকৃতের একটির নাম মাগধী প্রাকৃত। তাঁর মতে, মাগধী প্রাকৃতের কোনো পূর্বাঞ্চলীয় রূপ থেকে জন্ম নেয় বাংলা ভাষা। পরে বাংলা ভাষার উদ্ভব ও বিকাশের বিস্তৃত ইতিহাস রচনা করেন ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় এবং আমাদের চোখে স্পষ্ট ধরা দেয় বাংলা ভাষার ইতিহাস। যে ইতিহাস বলার জন্য আমাদের একটু পিছিয়ে যেতে হবে। পিছিয়ে যেতে হবে অন্তত কয়েক হাজার বছর।

ইউরোপ ও এশিয়ার বেশ কিছু ভাষার ধ্বনিতে, শব্দে লক্ষ করা যায় গভীর মিল। এ ভাষাগুলো যে সব অঞ্চলে ছিল ও এখন আছে, তার সবচেয়ে পশ্চিমে ইউরোপ আর সবচেয়ে পূর্বে ভারত ও বাংলাদেশ। ভাষাতাত্ত্বিকেরা এ ভাষাগুলোকে একটি ভাষাবংশের সদস্য বলে মনে করেন। ওই ভাষাবংশটির নাম ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাবংশ বা ভারতী-ইউরোপীয় ভাষাবংশ। ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাবংশে আছে অনেকগুলো ভাষা-শাখা, যার একটি হচ্ছে ভারতীয় আর্যভাষা। ভারতীয় আর্যভাষার প্রাচীন ভাষাগুলোকে বলা হয় প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা।

আরো পড়ুন: বাংলা ভাষার ব্যবহার কি ক্রমশ কোণঠাসা হয়ে পড়ছে?

বাংলা ভাষার জন্মকথা -হুমায়ুন আজাদ

প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষার প্রাচীন রূপ পাওয়া যায় ঋগ্বেদের মন্ত্রগুলোতে। এগুলো সম্ভবত লিখিত হয়েছিল যিশুখ্রিস্টের জন্মেরও এক হাজার বছর আগে, অর্থাৎ ১০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে। বেদের শ্লোকগুলো পবিত্র বিবেচনা করে তার অনুসারীরা সেগুলো মুখস্থ করে রাখত। শতাব্দীর পর শতাব্দী কেটে যেতে থাকে। মানুষ দৈনন্দিন জীবনে যে ভাষা ব্যবহার করত বদলে যেতে থাকে সে ভাষা। এক সময় সাধারণ মানুষের কাছে দুর্বোধ্য হয়ে ওঠে বেদের ভাষা বা বৈদিক ভাষা। তখন ব্যাকরণবিদরা নানা নিয়ম বিধিবদ্ধ করে একটি মানসম্পন্ন ভাষা সৃষ্টি করেন। এই ভাষার নাম ‘সংস্কৃত’, অর্থাৎ বিধিবদ্ধ, পরিশীলিত, শুদ্ধ ভাষা। খ্রিস্টপূর্ব ৪০০ অব্দের আগেই এ ভাষা বিধিবদ্ধ হয়েছিল।

বাংলা ভাষার জন্মকথা

যিশুর জন্মের আগেই পাওয়া যায় ভারতীয় আর্যভাষার তিনটি স্তর।

প্রথম স্তরটির নাম বৈদিক বা বৈদিক সংস্কৃত। খ্রিস্টপূর্ব ১২০০ অব্দ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ৮০০ অব্দ এ ভাষার কাল। তারপর পাওয়া যায় সংস্কৃত। খ্রিস্টপূর্ব ৮০০ অব্দের দিকে এটি সম্ভবত বিধিবদ্ধ হতে থাকে এবং খ্রিস্টপূর্ব ৪০০ অব্দের দিকে ব্যাকরণবিদ পাণিনির হাতেই এটি চূড়ান্তভাবে বিধিবদ্ধ হয়। বৈদিক ও সংস্কৃতকে বলা হয় প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা।

প্রাকৃত ভাষাগুলোকে বলা হয় মধ্যভারতীয় আর্যভাষা। মোটামুটিভাবে খ্রিস্টপূর্ব ৪৫০ অব্দ থেকে ১০০০ খ্রিস্টাব্ধ পর্যন্ত এ ভাষাগুলো কথ্য ও লিখিত ভাষারূপে ভারতের বিভিন্ন স্থানে প্রচলিত থাকে। এ প্রাকৃত ভাষাগুলোর শেষ স্তরের নাম অপভ্রংশ অর্থাৎ যা খুব বিকৃত হয়ে গেছে। বিভিন্ন অপভ্রংশ থেকেই উৎপন্ন হয়েছে নানান আধুনিক ভারতীয় আর্যভাষা- বাংলা, হিন্দি, গুজরাটি, মারাঠি, পাঞ্জাবি প্রভৃতি ভাষা।

ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় মনে করেন, পূর্ব মাগধী অপভ্রংশ থেকে উদ্ভূত হয়েছে বাংলা;
আর আসামি ও ওড়িয়া ভাষা। তাই বাংলার সাথে খুব ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আসামি ও ওড়িয়ার। আর কয়েকটি ভাষার ঘনিষ্ঠ আত্মীয়তা রয়েছে বাংলার সঙ্গে; কেননা সেগুলোও জন্মেছিল মাগধী অপভ্রংশের অন্য দুটি শাখা থেকে। ওই ভাষাগুলো হচ্ছে মৈথিলি, মগহি, ভোজপুরিয়া। ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ বাংলা ভাষার উৎপত্তি সম্পর্কে অবশ্য একটু ভিন্ন মত পোষণ করেন। তিনি একটি প্রাকৃতের নাম বলেন গৌড়ী প্রাকৃত। তিনি মনে করেন, গৌড়ী প্রাকৃতেরই পরিণত অবস্থা গৌড় অপভ্রংশ থেকে উৎপত্তি ঘটে বাংলা ভাষার।

বাংলা ভাষার জন্মকথা -হুমায়ুন আজাদ