ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট কি?

0
829

ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট কি?
ওয়েবসাইট হল ওয়েব সার্ভারে রাখা ওয়েব কনটেন্ট, যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে দর্শন করা যায়।
ওয়েব সার্ভারে জমা রাখা তথ্য ইন্টারনেটে সংযুক্ত ওয়েব ব্রাউজারে দর্শন যোগ্য করার প্রক্রিয়াকে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বলে।
ওয়েব পেজ মূলত একটি এইচটিএমএল(Hypertext Markup Language) ডকুমেন্ট,
যা এইচটিটিপি(HyperText Transfer Protocol) প্রোটোকলের মাধ্যমে ওয়েব সার্ভার থেকে অন্তজাল ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজারে স্থানান্তরিত হয়।
সমস্ত প্রকাশিত ওয়েবসাইটগুলিকে সমষ্টিগতভাবে “world wide web” বা “বিশ্বব্যাপী জাল” বলা হয়।

অন্তজালে কিভাবে তৈরি করা যায় একটি ওয়েবসাইট? কৌতহল প্রিয় মানুষের তা জানার যেমন আগ্রহ আছে;
তেমনি অনেকেই পেশা হিসেবে ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট কে বেচে নিতে চান।
আপনার যদি ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট সম্পর্কে  জানার আগ্রহ থাকে;
তাহলে আপনার জন্য এই নিবন্ধ।

ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট যে ব্যক্তি ওয়েবসাইট সজ্জিত বা ডেভেলপ করে তাকে ওয়েব বিকাশকারী (Developer) বলা হয়।
ওয়েব বিকাশকারী  ওয়েবসাইটের ডিজাইন বা চিত্র অনুসরন করে ক্লায়েন্ট সাইড ভাষা
ও সার্ভার সাইড ভাষা গুলো ব্যবহার করে ওয়েবসাইট সজ্জিত করেন।
ওয়েব ডেভেলপমেন্টকে বিভিন্ন ভাবে সংজ্ঞায়িত করা যায়। একটি ওয়েবসাইটকে তৈরী করা থেকে
শুরু করে অন্তজালে দৃশ্যমান করা পর্যন্ত যে সকল কাজ করতে হয় সেই সকল কাজ গুলোকে
একসাথে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বলা হয়।
কিংবা ওয়েব সার্ভারে জমা রাখা তথ্য ইন্টারনেট সংযোগে দর্শন যোগ্য করার সফটওয়্যার তৈরী করাকে
ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বলা হয়।

ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট অন্তজালের কল্যাণে পৃথিবী একটি গ্রামে পরিণত হয়েছে। যে কোন স্থান থেকে এক ক্লিকে চিকিৎসা,
শিক্ষাসহ মৌলিক চাহিদার প্রতিটি অংশের তথ্যই জানা যায় মুহুত্বেই।
জানার গণ্ডি ছাড়িয়ে অপরিচয়ের দিকে কৌতহলপ্রিয় মানুষ ছুটে চলছে অবিরাম গতিতে।
শিক্ষার মৌলিক উপকরণে যেমন পরিণত হয়েছে তেমনি বিনোদনের অবিচ্ছেদ্য অংশ অন্তজাল।
সমাজ সভ্যতার ক্রমবিকাশে মানুষ তাদের উদ্ভাবনী শক্তি দিয়ে পৃথিবীকে করেছে স্বাচ্ছন্দ্যময়,
জীবনকে করেছে গতিময়। আর এসব সম্ভব হয়েছে অন্তজালের কয়েক কোটি ওয়েবসাইটের কারনে।

ওয়েব ডিজাইন

ওয়েব ডিজাইনওয়েব ডিজাইন (Web Design) হচ্ছে ওয়েবসাইটের দৃশ্যমান প্রতিরুপ।
ওয়েবসাইট দেখতে কেমন হবে তা নির্ধারণ করা। একটি  ওয়েব সাইটের পূর্ণাঙ্গ টেম্পলেট
বানানো ওয়েব ডিজাইনের কাজ। ওয়েবসাইটের লেয়াউট, হেডার, মেনু , সাইডবার,
ইমেজগুলো কিভাবে বিকাশ ঘটবে তা নকশা/পরিকল্পনা করা।
অল্পকথায় ওয়েবের তথ্যগুলো কিভাবে প্রদর্শন করবে তা নির্ধারণ করাই হচ্ছে ওয়েব ডিজাইন।
ওয়েব ডিজাইন করতে কিছু টুলস (PHOTOSHOP, GIMP, notepad++)  ব্যাবহার করা হয়।
এছাড়াও  markup language  এবং Scripting Language (HTML, CSS, JavaScript) ইত্যাদি
ব্যবহার করে একটি দৃষ্টিনন্দন ওয়েবপেজ তৈরি করা যায়।
ওয়েব ডিজাইনারদের কে ফ্রন্ট ইন্ড (Front-end) ডেভেলপার বলা হয়।

আরো পড়ুন: ওয়েব সার্ভার কিভাবে কাজ করে

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট

ওয়েব সার্ভারে জমা রাখা তথ্য অন্তজালে সংযুক্ত ওয়েব ব্রাউজাররে দর্শন যোগ্য করার প্রক্রিয়া কে  ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বলে। যে ব্যক্তি ওয়েবসাইট সজ্জিত বা ডেভেলপ করে তাকে ওয়েব বিকাশকারী (Developer) বলা হয়। ওয়েব বিকাশকারী  ওয়েবসাইটের ডিজাইন বা চিত্র অনুসরন করে ক্লায়েন্ট সাইড ভাষা ও সার্ভার সাইড ভাষা গুলো ব্যবহার করে ওয়েবসাইট সজ্জিত করেন।

ওয়েব ডেভেলপমেন্টকে বিভিন্ন ভাবে সংজ্ঞায়িত করা যায়। একটি ওয়েবসাইটকে তৈরী করা থেকে শুরু করে অন্তজালে দৃশ্যমান করা পর্যন্ত যে সকল কাজ করতে হয় সেই সকল কাজ গুলোকে একসাথে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বলা হয়। কিংবা ওয়েব সার্ভারে জমা রাখা তথ্য ইন্টারনেট সংযোগে দর্শন যোগ্য করার সফটওয়্যার তৈরী করাকে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বলা হয়।

ওয়েব ডিজাইন এবং ওয়েব ডেভেলপমেন্ট

ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট-এর ধাপ

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট সাধারণত তিনটি ধাপে বিভক্ত-

ফ্রন্ট এন্ড ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
ব্যাক-এন্ড ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
ওয়েব মাস্টারিং

ফ্রন্ট ইন্ড ওয়েব ডেভেলপমেন্ট

পূর্ব পরিকল্পনা বা একটি খসড়া আইডিয়ার অঙ্কিত চিত্র ওয়েবসাইটের দৃশমান (static) স্থির ওয়েব পৃষ্ঠা তৈরী করাই ফ্রন্ট ইন্ড ওয়েব ডেভেলপমেন্ট। ফ্রন্ট ইন্ড ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর প্রথম ধাপ। যে ওয়েব ডেভেলপার কল্পিত চিত্র অনুসারে বা ওয়েব ডিজাইনারের পরিকল্পনা অনুসারে স্থির ওয়েব পৃষ্ঠা তৈরী করে তাকে ফ্রন্ট ইন্ড ওয়েব ডেভেলপার বা ফ্রন্ট ইন্ড ডেভেলপার বলা হয়। একজন ফ্রন্ট ইন্ড ওয়েব ডেভেলপারের (static) স্থির ওয়েব পৃষ্ঠা তৈরীর কলাকৌশল সম্পর্কে গভীর জ্ঞান থাকতে হয়।

ক্লায়েন্ট সাইড ভাষা (এইচটিএমএল, সিএসএস, জাভাস্ক্রিপ্ট ) ব্যবহার করে স্থির (static) ওয়েব পৃষ্ঠা তৈরী করতে হয়। ফ্রন্ট ইন্ড ওয়েব ডেভেলপারের তৈরী স্থির ওয়েব পৃষ্ঠা অনুসরন করে ব্যাক ইন্ড ওয়েব ডেভেলপার ওয়েবসাইটের ব্যাক ইন্ড সজ্জিত বা বিকাশ করে।

Hypertext Markup Language (HTML) , Cascading Style Sheets (CSS) ও JavaScript (JS) এই তিনটি ভাষা দিয়ে  যেকোনো ধরণের প্রফেশনাল ও আধুনিক ওয়েবপেজ তৈরী করা যায়। মূলত ডিজাইন লেআউট থেকে ছবি, টাইপোগ্রাফি – ফন্ট ফ্যামিলি, এনিমেশন বা মোশন গ্রাফিক্স ব্যবহার করে, অনেকগুলো ইন্টারফেসে নতুন ও অসাধারণ ওয়েবপেজ তৈরী করাই ফ্রন্ট-এন্ড ডেভেলপারের কাজ।

ব্যাক-ইন্ড ওয়েব ডেভেলপমেন্ট

(static) স্থির  ওয়েব পৃষ্ঠাকে  প্রগতিশীল(Dynamic) ওয়েব পৃষ্ঠায় রূপান্তর করায় ব্যাক-ইন্ড ওয়েব ডেভেলপমেন্ট। ব্যাক-ইন্ড ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ওয়েব ডেভেলপমেন্টের প্রথম ধাপ। যে ওয়েব ডেভেলপার স্ট্যাটিক ওয়েব পৃষ্ঠাকে ডাইনামিক ওয়েব পৃষ্ঠায় রূপান্তর করে তাকে ব্যাক-ইন্ড ওয়েব ডেভেলপার বা ব্যাক-ইন্ড ডেভেলপার বলা হয়। ব্যাক-এন্ড ওয়েব ডেভেলপার সার্ভার-সাইড ভাষা (পিএইসপি, পাইথন, এএসপি ডট.নেট ইত্যাদি ) ও RDBMS (মাইএসকিউএল, mongoBD ইত্যাদি ) ব্যবহার করে ডাইনামিক ওয়েব পৃষ্ঠা তৈরী করে থাকে। ব্যাক-ইন্ড ওয়েব ডেভেলপার ফ্রন্ট-ইন্ড ওয়েব ডেভেলপারের তৈরী স্থির (static) ওয়েব পৃষ্ঠা বা ওয়েব ডিজাইনারের তৈরী স্থির ওয়েব পৃষ্ঠাকে ডাইনামিক ওয়েব পৃষ্ঠায় রূপান্তর করে।

ব্যাক-ইন্ড ওয়েব ডেভেলপার,  যিনি সার্ভারের ডাটা এবং রিকোয়েস্ট গুলো নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। ডাইনামিক ওয়েবসাইটের ব্যাক-ইন্ডে অনেকগুলো সার্ভিসের প্রয়োজন পড়ে বা কাজ থাকে। ওয়েবসাইটে কোনো তথ্য ইনপুট করার পর সেটা সেভ হওয়ার জন্য ডেটাবেজের প্রয়োজন পড়ে। ডেটাবেজ সংযোগের মাধ্যমে সার্ভার নিজ থেকেই তথ্য গুলো সেভ করে রাখে এবং প্রয়োজন মতো তথ্যর আউটপুট দেয়। ব্যাক-ইন্ড ডেভেলপার সার্ভার সাইড ডেভেলপ করতে PHP, NodeJS, Python বা Ruby ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করে থাকে এবং ডাটাবেজ কুয়েরী লিখতে SQL বা NoSQL এর মধ্যে (MySQL, MongoDB) ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করে থাকেন।

ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট: ফুল-স্ট্যাক ডেভেলপার

উপরে ডেভেলপমেন্ট নিয়ে যা কিছু আলোচনা করা হয়েছে, তার সব কিছু নিয়ে যার পরিপূর্ণ জ্ঞান ও দক্ষতা আছে তিনিই ফুল-স্ট্যাক ডেভেলপার। ফুল-স্ট্যাক ডেভেলপার হচ্ছেন এমন কেউ, যে কিনা একটি ওয়েবসাইট শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তৈরী করতে পারেন। সাধারণত ফুল-স্ট্যাক ডেভেলপারের ডিজাইন ও ইউজার এক্সপেরিয়েন্স নিয়ে মৌলিক ধারণা থাকে। ফুল-স্ট্যাক ডেভেলপার হতে হলে আপনার সবগুলো ল্যাংগুয়েজে এক্সপার্ট হতে হবে; তা অবশ্য নয়। একসাথে অনেক গুলো ল্যাংগুয়েজে এক্সপার্ট বা প্রফেশনাল হওয়া বিষয়টি খুব সহজ নয়। তাছাড়া ওয়েব প্রযুক্তি খুব কম সময়ের মধ্যে পরিবর্তিত হচ্ছে।

ওয়েব সম্পর্কিত বেসিক সবধরণের জ্ঞান থাকা একজন ফুল-স্ট্যাক ডেভেলপারের জন্য অবশ্যই প্লাস পয়েন্ট। তবুও সব বিষয়ে এক্সপার্ট হওয়ার চেয়ে যেকোনো একটিতে ফোকাস হওয়া বেশী জরুরী। ওয়েব ডেভেলপমেন্টে ফ্রন্ট-ইন্ড বা ব্যাক-ইন্ড যে বিষয় নিয়ে কাজ করতে বেশী ভালো লাগবে সে বিষয়ে অধিক সময় নিয়ে চর্চা করা উচিত।

ওয়েব ডিজাইনের প্রতিটা উপকরণকে ফাংশনাল এবং প্রগতিশীল(Dynamic) করার জন্য পরিচালিত কর্মকান্ডই হচ্ছে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (Web Development)। একটা ওয়েব সাইট কে তিনটা ভাগে ভাগ করা যায় যেমন ডিজাইন বা টেমপ্লেট, কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এবং ডাটাবেস। একজন ওয়েব ডেভেলপার এই তিনটি বিষয়ের মধ্যে সমন্বয় করে পুরো পদ্ধতিগুলোকে সক্রিয় এবং পরিবর্তনশীল করে থাকেন। ওয়েব ডেভেলপারের কাজ হচ্ছে ডাটা প্রসেসিং, ডাটাবেস নিয়ন্ত্রণ, সিকিউরিটি নির্মান, ইউজার এবং এডমিনের ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করা, এপ্লিকেশনের সকল ফিচারকে ফাংশনাল এবং পরিবর্তনশীল(ডাইনামিক) করা এবং সমগ্র সিস্টেমের কার্যকারীতা এবং ব্যবহার যোগ্যতা নিয়ন্ত্রণ করা । ভালো ওয়েব ডেভেলপার হতে হলে PHP,python, MySQL এর পাশাপাশি HTML, CSS, JAVASCRIPT, JQUERY, Bootstrap এর সম্পর্কে বিশদ জ্ঞান ও দক্ষতা রাখতে হবে।

ওয়েব ডিজাইন এবং ওয়েব ডেভেলপমেন্ট

ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট কিভাবে অনুশীলন করবেন?


লোকাল সার্ভারে আপনি একটি ওয়েবসাইট ডিজাইন বা বিকাশ করতে পারবেন। সে জন্য xampp বা wampserver ব্যবহার করতে পারেন। আপনি যদি সরাসরি ওয়েব সার্ভারে প্রাকটিস কিংবা আপনার বানানো ওয়েবসাইট পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের জন্য উমুক্ত করতে চান, তাহলে আপনি  sharewebhost  থেকে সার্ভার কিংবা ওয়েব হোস্টিং নিতে পারবেন। sharewebhost বাংলাদেশের একটি খুবই ভাল কোম্পানী, এখানে যে কোন ধরনের হোস্টিং নিতে পারবেন। আপনি চাইলে Amazon server, Bluehost server ব্যবহার করতে পারেন।

কোথায় এবং কিভাবে কাজ করবেন?

আউটসোসিং মার্কেটপ্লেস যেমন: upwork.com, freelancer.com, fiverr.com  ওয়েব পেইজ ডিজাইনার ও ওয়েব ডেভেলপারদের যথেষ্ট চাহিধা রয়েছে। এইসব মার্কেট গুলোতে আপনি সর্বনিম্ন ৫ ডলার থেকে ১০০ ডলার পর্যন্ত প্রতি ঘন্টা আয় করতে পারবেন। তা ছাড়া themeforest.net, codecanyon.net এর মতো মার্কেট প্লেসে আপনি আপনার তৈরী ওয়েব এপ্লিকেশন গুলো বিক্রি করে আয়  করতে পারবেন। আমাদের দেশেও হাজার হাজার সফটওয়্যার এবং ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি গুলোতে আপনি চাকরি করতে পারবেন। এই সেক্টরে বড় সুবিধা হচ্ছে আপনি কম্পিউটার সাইন্স -এ পড়ালেখা না করেও সফটওয়্যার কোম্পানি গুলোতে ভালো বেতনে চাকুরি করতে পারবেন।

ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট নিজে নিজে শিখতে চাইলে

নিজে নিজে শিখতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই অন্তজাল থেকে সহযোগিতা নিতে হবে।  এই ক্ষেত্রে Google, Youtube হচ্ছে সেরা প্ল্যাটফরম। নিম্নে অন্তজাল থেকে শেখার কিছু সাইটের তালিকা তুলে ধরা হল:
Alison
W3School
Web Professionals
Dreamweaver
Treehouse
Udemy
Alistapart
Pluralsight
CreativeBloq
Mockplus
Sass Extensions
LinkedIn Learning

একজন Web Developer এর মাসিক আয় কেমন?

একজন Web Developer এর যে কোনো কোম্পানিতে জুনিয়র Web Developer অথবা জুনিয়র Software Engineer থেকে শুরু করে Software আর্কিটেক্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে পারেন। এ পেশায় প্রাথমিক অবস্থায় খুবই সামান্য বেতন ১৫ থেকে ২৫ হাজার টাকা বেতন পাওয়া যায়। এন্ট্রি লেভেলের জব গুলোতে ভালো করলে ২/৫ বছর পর সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার এবং সফটওয়্যার আর্কিটেক্ট হিসেবে বেতন ৫০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা হতে পারে। পরবর্তীতে বেড়ে তা ২ থেকে ৩ লাখ টাকাও হতে পারে । দক্ষতা ও যোগ্যতা থাকলে দেশের বাইরে রিমোট জবের সুযোগ আছে। দেশের বাইরে রিমোট জবের মাধ্যমে অনেকে ৭-১০ লাখ টাকাও উপার্জন করছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here